• আজ ২৩শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
 মরণোত্তর জাতিসংঘ পদকে ভূষিত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী | শিশু রামিসা হত্যা মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন চলমান | বাবা-মায়ের কবরের পাশে সমাহিত তোফায়েল আহমেদ | আদ্-দ্বীন হাসপাতালে সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগ | নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলায় ছাত্রদল জড়িত নয়’ | নাহিদের তাণ্ডবে কুপোকাত পাকিস্তান, ঐতিহাসিক জয় বাংলাদেশের | শপিংমল-দোকানপাট খোলা রাখা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত মালিক সমিতির | আর কোনো ফ্যাসিবাদী শক্তি যেন পুলিশকে ব্যবহার করতে না পারে: প্রধানমন্ত্রী | গুম-খুনের রাজনীতি থেকে বের হয়ে নতুন দেশ গড়ার প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রীর | মানুষের সঙ্গে মিশে যাবেন, তাদের সঙ্গে নিয়ে নেতৃত্ব দিবেন — জেলা প্রশাসকদের প্রতি এলজিআরডি মন্ত্রী |

কারাবন্দি বিএনপি মহাসচিবের সঙ্গে স্ত্রী-মেয়ের সাক্ষাৎ

| নিউজ রুম এডিটর ৫:৩০ অপরাহ্ণ | ১১/১২/২০২৩ জাতীয়

 

দীর্ঘদিন ধরে কারাগারে বন্দি বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে তার স্ত্রী ও কন্যা দেখা করেছেন।

স্ত্রী রাহাত আরা বেগম ও বড় মেয়ে মির্জা শামারুহ রোববার দুপুরে কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে বিএনপি মহাসচিবের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তারা।

এ তথ্য জানিয়েছেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান।

পরিবারের সদস্যদের বরাত দিয়ে তিনি জানান, কারাবন্দি বিএনপি মহাসচিব শারীরিকভাবে ভালো আছেন। তিনি পত্রপত্রিকা পড়ে দেশের রাজনীতির খবরাখবর রাখছেন।

বাবাকে দেখতে গত ৮ ডিসেম্বর অস্ট্রেলিয়া থেকে ঢাকায় এসেছেন মির্জা শামারুহ।

মির্জা ড. শামারুহ আগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণ রসায়ন বিভাগের শিক্ষক ছিলেন। বর্তমানে তিনি স্বামীর সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ায় বাস করেন।

গত ২৯ অক্টোবর ভোরে উত্তরার বাসা থেকে তুলে নেওয়া হয় বিএনপি মহাসচিবকে। আটকের পর বাবার অবিলম্বে মুক্তি চান জ্যেষ্ঠকন্যা শামারুহ মির্জা।

তখন শামারুহ বলেছিলেন, ‘আব্বুর বয়স ৭৬ এবং তিনি গতরাতেও প্রচণ্ড অসুস্থ ছিলেন। পুলিশের টিয়ার গ্যাস তার ফুসফুসে গেছে এবং তিনি রাতেই ডাক্তারের শরণাপন্ন হয়েছিলেন। আমি অবিলম্বে আমার আব্বুর মুক্তি চাই।’

বিএনপি মহাসচিবের আটকের বিষয়ে উল্লেখ করে শামারুহ মির্জা তখন আরও বলেছিলেন, ‘আমার বাবা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আজ সকালে ডিবি পুলিশ আটক করে নিয়ে গেছে। আজ বাংলাদেশ যখন বিরোধী মতামত প্রকাশের কোনো সুযোগ নেই, লাখ লাখ বিরোধী মতাদর্শী কারাগারে বন্দি, লাখ লাখ সন্তান তাদের বাবার জন্য অপেক্ষা করছে, সেখানে এই ঘটনা আমাকে অবাক করেনি! আমার আল্লাহর ওপর পূর্ণ বিশ্বাস— এই জুলুম একদিন শেষ হবে।’