• আজ ৩রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ইসরাইলের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ ‘আপত্তিকর’- জো বাইডেন

| নিউজ রুম এডিটর ৪:২৫ অপরাহ্ণ | মে ২৪, ২০২৪ আন্তর্জাতিক, লিড নিউজ

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) সম্ভাব্য গ্রেফতারি পরোয়ানাকে ‘নজিরবিহীন অপমান’ বলে বর্ণনা করেছে ইসরাইল। তবে আইসিসির এ সিদ্ধান্তের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে ফ্রান্স, বেলজিয়াম ও স্লোভেনিয়া।

এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বলেছেন, ইসরাইলের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ ‘আপত্তিকর’।

এর আগে সোমবার সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আইসিসির প্রধান প্রসিকিউটর করিম খান বলেন, ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়াভ গ্যালেন্টকে যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের দায় নিতে হবে। এ জন্য তিনি তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করতে আইসিসির জুরি প্যানেলের কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন। তিনি হামাস নেতার বিরুদ্ধেও গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির আবেদন করেছেন। তারা হলেন– ইয়াহিয়া সিনওয়ার, ইসমাইল হানিয়া ও মোহাম্মদ দাইফ।

এর আগে যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত বা আইসিসির সম্ভাব্য গ্রেফতারি পরোয়ানা নিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তিনি বলেন, ইসরাইল কেবল হামাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছে, যারা গণহত্যাকারী সন্ত্রাসী সংগঠন। আইসিসির প্রধান প্রসিকিউটর করিম খানকে ব্যক্তিগত আক্রমণ করে নেতানিয়াহু বলেন, তিনি আধুনিককালে সবচেয়ে বড় ইহুদিবিদ্বেষী। ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী গ্যালেন্টও।

আলজাজিরার খবরে বলা হয়, ইসরাইল ও হামাসের নেতাদের বিরুদ্ধে আইসিসির গ্রেফতারি পরোয়ানা চলতি সপ্তাহেই জারি হতে পারে। তবে এটি কোনো নিশ্চিত সময়সীমা নয়। করিম খান তার আবেদন বিচারিক প্যানেলের কাছে পাঠিয়েছেন। তারা পূর্ণাঙ্গ সিদ্ধান্ত নেবেন। এ পরোয়ানা জারি হলে নেতানিয়াহু আইসিসির ১২৪ সদস্য দেশে সফর করতে বাধার মুখে পড়বেন। এসব দেশে তিনি গ্রেফতারের মুখোমুখি হতে পারেন। তবে ভারত, চীন, যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া আইসিসির সদস্য দেশ নয়। এর আগে ইউক্রেনের যুদ্ধাপরাধ সংঘটনের দায়ে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করে আইসিসি।

গাজায় ৭ অক্টোবরের পর এ পর্যন্ত ৩৫ হাজার ৬৪৭ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ৮০ হাজারের বেশি। হতাহত অধিকাংশই নারী ও শিশু। অবরুদ্ধ উপত্যকাটির ৮০ শতাংশের বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত।