• আজ ১৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
 নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলায় ছাত্রদল জড়িত নয়’ | নাহিদের তাণ্ডবে কুপোকাত পাকিস্তান, ঐতিহাসিক জয় বাংলাদেশের | শপিংমল-দোকানপাট খোলা রাখা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত মালিক সমিতির | আর কোনো ফ্যাসিবাদী শক্তি যেন পুলিশকে ব্যবহার করতে না পারে: প্রধানমন্ত্রী | গুম-খুনের রাজনীতি থেকে বের হয়ে নতুন দেশ গড়ার প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রীর | মানুষের সঙ্গে মিশে যাবেন, তাদের সঙ্গে নিয়ে নেতৃত্ব দিবেন — জেলা প্রশাসকদের প্রতি এলজিআরডি মন্ত্রী | স্বাধীন সাংবাদিকতার প্রশ্নে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী | তেল পাচার রোধ ও ঈদকে সামনে রেখে নিরাপত্তা জোরদার | মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা | টেকনাফে গহীন পাহাড়ে মিলল ৩ জনের রক্তাক্ত মরদেহ |

ছাত্রদল নেতার চাঁদা দাবীর কল রেকর্ড ফাস

 

সিরাজদিখান প্রতিনিধিঃ মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার মধ্যপাড়া ইউনিয়নে অবস্থিত ফুড ক্যাপিটাল রেষ্টুরেন্টের স্বত্ত্বাধিকারী মোঃ আবু সাঈদের কাছে উপজেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহাবুব তালুকদার ইমনের ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবীর ফোন কল রেকর্ড ফাঁস হওয়াকে কেন্দ্র করে রেষ্টুরেন্ট ব্যবসায়ীকে তার ব্যবসা গুটিয়ে এলাকা ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছে মর্মে অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়নটির বিএনপি ও এর সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের একাধিক নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে।

ফুড ক্যাপিটাল রেষ্টুরেন্টের স্বত্ত্বাধিকারী মোঃ আবু সাঈদ এ অভিযোগ তোলেন। এর আগে অভিযুক্ত উপজেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহাবুব তালুকদার ইমনের রেষ্টুরেন্ট ব্যবসায়ীর কাছে ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবী করার একটি ফোনকল রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুকে ভাইরাল হয়।

পরে ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবী করার ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে রেষ্টুরেন্ট ব্যবসায়ীকে দিয়ে জোর পূর্বক সংবাদ সম্মেলন করান উপজেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মাহাবুব তালুকদার ইমনসহ মধ্যপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির নেতাকর্মীরা।

এছাড়া অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতা মাহাবুব তালুকদার ইমন এক ভিডিও বক্তব্যে নিজেকে নির্দোশ দাবী করে ফুড ক্যাপিটাল নামে ওই রেষ্টুরেন্টে অসামাজিক কার্যকলাপের অভিযোগ তোলেন। ওই ভিডিও বক্তব্যে রেষ্টুরেন্ট ব্যবসায়ীর কাছে চাঁদা দাবী করে কথোপকথনের ফোনকল রেকর্ডটি ভিত্তিহীন বলে দাবী করেন তিনি।

সম্প্রতি ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবী করার ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাপ প্রয়োগ করে ব্যবসা গুটিয়ে এলাকা ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছে মর্মে অভিযোগ রেষ্টুরেন্ট ব্যবসায়ী আবু সাঈদের।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, ওই ঝামেলার পর থেকে একদিনও ব্যবসা করতে পারি নি। মধ্যপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আজিম আল রাজি, সাধারণ সম্পাদক রহিমসহ সায়েম, কালাম, মোস্তাক ওরফে আব্দুল্লাহসহ আরো বেশ কয়েকজন আমাকে বলেছে তুমি এখানে আর ব্যবসা করতে পারবে না। তারা এখানে আমাকে ব্যবসা করতে দিবে না! তাই চলে যেতে বাধ্য হচ্ছি!

এ ব্যপারে মধ্যপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আজিম আল রাজির কাছে জানতে চাইলে তিনি ফোন রিসিভ করে কথা না বোঝার বাহানায় ফোন রেখে দেন। পরবর্তীতে তাকে একাধিকবার ফোন করা হলে তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।