=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.
  • আজ ২৫শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কুড়িগ্রামে টিসিভি টিকাদান ক্যাম্পেইনে ব্যাপক সাড়া

| নিউজ রুম এডিটর ৫:০১ অপরাহ্ণ | ১২/১০/২০২৫ কুড়িগ্রাম, সারাদেশ

হুমায়ুন কবির সূর্য,কুড়িগ্রাম: মাসব্যাপী কর্মসূচির আওতায় সারাদেশের ন্যায় কুড়িগ্রামেও টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পইন শুরু হয়েছে। রবিবার সকালে কুড়িগ্রাম সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক সিফাত মেহনাজ।

স্বাস্থ্যবিভাগ সূত্রে জানা গেছে, আগামি ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত এই কর্মসূচি চলমান থাকবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে টিকাদান চলবে ৩০ অক্টোবর পর্যন্ত। ক্যাম্পেইনের সময় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত প্রাক-প্রাথমিক থেকে নবম শ্রেণি বা সমমান পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের এক ডোজ করে টিকা দেওয়া হবে। এরপর ৯ মাস থেকে ১৫ বছরের কম বয়সী বাকি শিশুদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে টিকা দেওয়া হবে। এছাড়া নিবন্ধন চলমান রয়েছে। যেসব শিশুর জন্মসনদ নেই, তাদেরও টিকার জন্য নিবন্ধন করা যাবে। এর জন্য নিকটস্থ টিকাকেন্দ্রের স্বাস্থ্যকর্মীদের সহায়তা নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

সিভিল সার্জন কার্যালয়ের আয়োজনে কুড়িগ্রাম সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের হলরুমে টিসিভি ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন উপলক্ষে আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন, সিভিল সার্জন ডা: স্বপন কুমার বিশ্বাস, কুড়িগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. নুর নেওয়াজ আহমেদ, জেলা শিক্ষা অফিসার শফিকুল ইসলাম, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার স্বপন কুমার রায় চৌধুরী, জেলা তথ্য অফিসার মো. শাহ জাহান আলী, কুড়িগ্রাম জেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা আব্দুল মতিন ফারুকী, কুড়িগ্রাম সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক গোলেনুর বেগম, কুড়িগ্রাম প্রেস ক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহফুজার রহমান খন্দকার, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মেডিকেল অফিসার ডাঃ মোঃ আতিকুর রহমান, প্রশাসনিক কর্মকর্তা মোস্তাফিজার রহমান প্রমুখ।

ক্যাম্পেইনে বক্তারা বলেন, শিশুদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্যসুরক্ষায় টিকাদানের মাধ্যমে টাইফয়েডসহ অন্যান্য সংক্রামক রোগ থেকে শিশুরা সুরক্ষিত থাকবে। এটি একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। যার মাধ্যমে শিশুদের টাইফয়েডে মৃত্যুর ঘটনা কার্যত বন্ধ করা সম্ভব হবে। আলোচনা সভা শেষে বিভিন্ন বয়সের শিক্ষার্থীদের টাইফয়েড প্রতিরোধক টাইফয়েড টিকা প্রদান করা হয়। এতে ব্যাপকভাবে সাড়া মিলেছে।

কর্মসূচিটি বাস্তবায়নে সহযোগিতা করছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, গ্যাভি, পাথ, ইউনিসেফ এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।