• আজ ২৯শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
 সংসদে মন্ত্রীদের কথা শুনলে মনে হয় দেশ তেলের ওপর ভাসছে: জামায়াত আমির | শাহজালাল বিমানবন্দর ‘জিয়া’ নামে ফিরবে কিনা জানালেন মন্ত্রী | জ্বালানি তেলের দাম বাড়ছে কিনা জানাল সরকার | নেপালের নতুন প্রধানমন্ত্রী কে এই বালেন্দ্র শাহ? | ঈদের পরই নতুন সরকারের সামনে যে বড় তিন চ্যালেঞ্জ | ট্রেনে ফিরতি যাত্রা: আজ মিলছে ২৮ মার্চের টিকিট | নিজ নির্বাচনী এলাকায় চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর; চালু হলো হটলাইন | ‘ঘরে ঘরে প্রলোভনকারীদের বিষয়ে সজাগ থাকুন’—পল্লবীতে আমিনুল হক | সেহরি ইফতার তারাবির সময় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর | প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন যারা |

ব্রহ্মপুত্র নদে শতাধিক মানুষসহ ভেঙে পড়ল ব্রিজ, নিহত বেড়ে ৫

| Peoples News ১১:৪২ অপরাহ্ণ | মার্চ ২১, ২০২৬ সারাদেশ

 

ঈদে ঘুরতে যাওয়া মানুষের চাপে শনিবার (২১ মার্চ) বিকেলে ব্রহ্মপুত্র নদে ভেঙে পড়ে ব্রিজটি। ছবি: সংগৃহীত
জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে একটি ভাসমান ব্রিজ ভেঙে ঈদে ঘুরতে যাওয়া শতাধিক মানুষ ব্রহ্মপুত্র নদে পড়ে গেছেন। এ ঘটনায় আরও এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। এ নিয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে পাঁচজনে দাঁড়িয়েছে।

শনিবার (২১ মার্চ) বিকেল ৪টার দিকে দেওয়ানগঞ্জ থানার সামনে ব্রহ্মপুত্র নদের ওপর এ দুর্ঘটনা ঘটে। ঈদের দিন ঘটে যাওয়া এ দুর্ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

নিহতরা হলো- ডাকাতিয়াপাড়া গ্রামের জয়নাল মিয়ার ১০ বছর বয়সী সন্তান মায়ামনি, ঝালুরচর এলাকার শের আলীর ৬ বছর বয়সী ছেলে আব্দুল মোতালেব ও তার ১২ বছর বয়সী মেয়ে খাদিজা, বেলতলি এলাকার হাবিবুল্লাহর ১৪ বছর বয়সী ছেলে আবির হোসেন এবং বালু গ্রামের জয়নালের ছেলে হাফেজ মিহাদ (১৬)।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঈদ উপলক্ষে প্রতি বছর ওই ব্রিজে এবং আশপাশে মানুষের ব্যাপক সমাগম হয়। এবারও ঈদের দিন বিকেলে সেখানে প্রচুর মানুষের সমাগম ঘটে। দীর্ঘদিন ধরে ব্রিজটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল। আজ অতিরিক্ত চাপের কারণে হঠাৎ সেটি ভেঙে পড়ে।

এ সময় ব্রিজে থাকা শতাধিক মানুষ নদীতে পড়ে যান। তাদের মধ্যে অনেকে সাঁতার কেটে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও কিছু শিশু পানির স্রোতে ভেসে যায়। ঘটনাস্থলেই তিন শিশুর মৃত্যু হয়।

খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়রা উদ্ধার অভিযান শুরু করেন। পরে রাত ৯টা পর্যন্ত আরও দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার হয়।

নদের পাড়ের চা দোকানি মকবুল মিয়া বলেন, ব্রিজটি প্রায় এক বছর ধরে ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। অতিরিক্ত মানুষ ওঠায় এটি ভেঙে যায়।

মৃত হাফেজ মিহাদের চাচা রফিকুল ইসলাম বলেন, আমার ভাতিজা মাদ্রাসায় পড়াশোনা করত। ঈদের ছুটিতে ঘুরতে এসে এভাবে মারা যাবে ভাবিনি। ব্রিজটি ভালো থাকলে এ দুর্ঘটনা ঘটত না।

দেওয়ানগঞ্জ-বকশীগঞ্জ আসনের সংসদ সদস্য এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সহায়তা দেওয়া হবে এবং সেখানে একটি স্থায়ী সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হবে।