• আজ ৭ই আশ্বিন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

হিজাবের জন্য পড়াশুনা ছিনিয়ে নিতে চায় ওরা: মুসকান

| নিউজ রুম এডিটর ৬:২৫ অপরাহ্ণ | ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২২ আন্তর্জাতিক, লিড নিউজ

গতকাল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে একটি ভিডিও। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছিলো একজন হিজাব পরিহিত ছাত্রীকে ঘিরে ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দিচ্ছে কিছু যুবক। সে সময় ছাত্রীটি তাদের সামনেই ‘আল্লাহু আকবর’ বলে স্লোগান দিচ্ছিলেন।

জানা গেছে, ভাইরাল ভিডিওতে যেই ছাত্রীকে দেখা যাচ্ছিলো তার নাম মুসকান। এবং ভিডিওটি কর্নাটনের প্রি-ইউনিভার্সিটি কলেজে ধারণ করা। এ ঘটনায় ভারতীয় এক গণমাধ্যমকে মুসকান নিজের অভিজ্ঞতা সম্পর্কে জানিয়েছেন। গণ মাধ্যমকে মুসকান বলেন,আমি যখন কলেজে ঢুকছিলাম, তখন বাধা দেয়া হয়। জিজ্ঞেস করা হয়, আমি কেন বোরখা পরে এসেছি? তবে আমি এ সব নিয়ে মোটেও চিন্তিত নই।

দিনের ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে মুসকান বলেন, আমাকে দেখেই ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দেয়া শুরু হয়। আমিও পাল্টা ‘আল্লাহু আকবর’ স্লোগান দিতে থাকি। এসময় সে মুসকান দাবি করেন, সেখানে উপস্থিত গেরুয়া উত্তরীয় পরিহিতদের কয়েক জনকে তিনি চিনতে পেরেছিলেন। কারণ তারাও মুসকানের সহপাঠী। তবে বেশির ভাগই বহিরাগত ছিলো। এ ঘটনায় মুসকান জানান, পড়াশোনা করাই তার অগ্রাধিকার।


মুসকানের বলেন, ওরা আমাদের পড়াশোনা করার অধিকারটাই ছিনিয়ে নিতে চায়, এক টুকরো কাপড়ের জন্য!

মুসকান আরও বলেন, গত সপ্তাহ থেকে এটা শুরু হয়েছে এ হিজাব বিরোধী আন্দোলন। আমি বরাবরই বোরখা আর হিজাব পরতে অভ্যস্ত। ক্লাসে বোরখা খুলে হিজাব পরে নিই। হিজাব এখন যেন আমার অঙ্গ হয়ে গিয়েছে। কলেজের প্রিন্সিপালও কোনও দিন কিছু বলেননি। তবে এতে সমস্যা শুরু করেছে বহিরাগতরা। এই পরিস্থিতিতে প্রিন্সিপাল আমাদের বোরখা আনতে মানা করেছেন। কিন্তু হিজাবের দাবিতে আমাদের প্রতিবাদ জারি থাকবে। আমার হিন্দু বন্ধুরাও আমার সঙ্গে আছে। আজ সকাল থেকে একের পর এক ফোন পাচ্ছি। আমি আশ্বস্ত।

সম্প্রতি গোটা ভারত জুড়েই মুসলাম নারীদের হিজাব পড়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আসা নিয়ে চলছে নানা তর্ক-বিতর্ক। এর আগে গত মঙ্গলবার কর্নাটনের মুখ্যমন্ত্রী বাসাভরাজ ভোমাই হিজাব বিতর্কে ভারতের কর্নাটকে সব স্কুল-কলেজ ৩ দিনের জন্য বন্ধ ঘোষণা করেন। সূত্র: আনন্দবাজার অনলাইন

করোনা ভাইরাসের কারণে বদলে গেছে আমাদের জীবন। আনন্দ-বেদনায়, সংকটে, উৎকণ্ঠায় কাটছে সময়। আপনার সময় কাটছে কিভাবে? লিখতে পারেন পিপলস নিউজ‘এ । আজই পাঠিয়ে দিন feature.peoples@gmail.com মেইলে