• আজ ২৭শে ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
 নিজ নির্বাচনী এলাকায় চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর; চালু হলো হটলাইন | ‘ঘরে ঘরে প্রলোভনকারীদের বিষয়ে সজাগ থাকুন’—পল্লবীতে আমিনুল হক | সেহরি ইফতার তারাবির সময় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর | প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন যারা | তারেক রহমান সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত | প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের অভিষেক আজ | রমজানে সব স্কুল বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের নির্দেশ | ভোলা-১ আসনে বিজেপি প্রার্থী পার্থ বেসরকারিভাবে নির্বাচিত | ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপি প্রার্থী তারেক রহমান বেসরকারিভাবে নির্বাচিত | ভোট গণনা শুরু, ফলাফলের অপেক্ষা |

সিলেট জুড়ে দেখা দিয়েছে কনজাংটিভার চোখ উঠার রোগ

| নিউজ রুম এডিটর ৮:০৬ অপরাহ্ণ | সেপ্টেম্বর ২২, ২০২২ সারাদেশ, সিলেট

আবুল কাশেম রুমন,সিলেট: সিলেট জুড়ে দেখা দিয়েছে কনজাংটিভার চোখ উঠার রোগ। প্রতিদিন সিলেটের ওসমানী ও সদর হাসপাতালে চোখ উঠা রোগীদের দেখতে পাওয়া যায় চিকিৎসা নিতে। শুধু সিলেট নগরী নয় বিভিন্ন উপজেলায় এ রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে চিকিৎসকরা বলছেন এটি এক ধরণের ভাইরাস জনিত চিকিৎসা বিজ্ঞানে এটিকে কনজাংটিভাইটিস বা কনজাংটিভার বলা হলেও সমস্যাটি চোখ ওঠা নামেই পরিচিত। রোগটি ছোঁয়াছে,ফলে দ্রুত অন্যদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। চিকিৎসকরা বলছেন, গরমে আর বর্ষায় ও রিতু পরিবর্তনে অনেক সময় চোখ ওঠার প্রকোপ বাড়ে। চোখের একেবারে বাইরের স্বচ্ছ অংশটির ডাক্তারি নাম ‘কনজাংকটিভা’। ভাইরাসের সংক্রমণে সেখানে তৈরি হয় প্রদাহ, ফুলে যায় চোখের ছোট ছোট রক্তনালি। ফুলে থাকা রক্তনালি গুলোর কারণেই চোখের রং লালচে হয়ে যায়, যেটাকে চোখ ওঠা বা ‘কনজাংকটিভাইটিস’ বলা হয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সিলেট নগরী থেকে শুরু করে বিভাগের বেশির ভাগ ঘরেই এখন চোখ ওঠা রোগী। হাসপাতালগুলোর বহির্বিভাগে বেড়েছে আক্রান্তের সংখ্যা। রোগী বাড়ায় দেখা দিয়েছে চোখের ড্রপের সংকট। আক্রান্তদের উল্লেখযোগ্য অংশই শিশু। সাধারণত এক সপ্তাহের মধ্যেই এই রোগ সেরে যায়। তবে জটিল রূপ ধারণ করলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়ার ওপর

এ বিষয়ে সিলেটের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. জন্মেজয় শংকর দত্ত জানান, চোখ ওঠা একটি মওসুমী ভাইরাস জনিত রোগ। তবে ড্রপার ব্যবহারের আগে এর মান ও মেয়াদ সম্পর্কে অবগত থাকতে হবে। সরকারী হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স গুলোতে যোগাযোগ করতে হবে। সারাদেশের ন্যায় সিলেটেও চোখ ওঠার রোগী বেড়ে যাওয়ায় জেলার সকল সরকারী হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পর্যাপ্ত ড্রপার সরবরাহ করা হয়েছে।