• আজ ২রা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
 দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার বন্ধ ঘোষণা | সংসদে মন্ত্রীদের কথা শুনলে মনে হয় দেশ তেলের ওপর ভাসছে: জামায়াত আমির | শাহজালাল বিমানবন্দর ‘জিয়া’ নামে ফিরবে কিনা জানালেন মন্ত্রী | জ্বালানি তেলের দাম বাড়ছে কিনা জানাল সরকার | নেপালের নতুন প্রধানমন্ত্রী কে এই বালেন্দ্র শাহ? | ঈদের পরই নতুন সরকারের সামনে যে বড় তিন চ্যালেঞ্জ | ট্রেনে ফিরতি যাত্রা: আজ মিলছে ২৮ মার্চের টিকিট | নিজ নির্বাচনী এলাকায় চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর; চালু হলো হটলাইন | ‘ঘরে ঘরে প্রলোভনকারীদের বিষয়ে সজাগ থাকুন’—পল্লবীতে আমিনুল হক | সেহরি ইফতার তারাবির সময় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর |

পদত্যাগ করেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী লিজ ট্রাস

| নিউজ রুম এডিটর ৭:৪৮ অপরাহ্ণ | অক্টোবর ২০, ২০২২ আন্তর্জাতিক, লিড নিউজ

শপথ নেওয়ার ছয় সপ্তাহের মাথায় পদত্যাগ করেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী লিজ ট্রাস। বৃহস্পতিবার তিনি এ পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন।

মাত্র ৪৫ দিন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন ট্রাস। এর ফলে তিনি হয়ে গেলেন যুক্তরাজ্যের সবচেয়ে স্বল্প মেয়াদী প্রধানমন্ত্রী। এর আগে ১৮২৭ সালে জর্জ ক্যানিং ১১৯ দিন প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

সেপ্টেম্বরে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পরপর অর্থনৈতিক সঙ্কট মোকাবিলায় মিনি বাজেট হাজির করেন ট্রাস। তবে তার এই বাজেট অর্থবাজারে আরও অস্থিরতা সৃষ্টি করে, যার জেরে দুজন মন্ত্রীকে হারান ট্রাস। দলের মধ্যে ট্রাসের বিরুদ্ধে অনাস্থা জ্ঞাপন শুরু হয়। চলতি সপ্তাহে একাধিক এমপি খোলাখুলিভাবে ট্রাসকে সরে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

পার্লামেন্টে সংখ্যাগরিষ্ঠ দলের নেতার পদ থেকেও সরে দাঁড়িয়েছেন ট্রাস। আগামী সপ্তাহের মধ্যেই দলের নেতৃত্ব নির্বাচন সম্পন্ন হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়ার আগ মুহূর্তে ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটে প্রধানমন্ত্রীর অফিসের দরজার বাইরে সংবাদ সম্মেলনে ট্রাস স্বীকার করেছেন, তিনি দলের নেতৃত্বের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার সময় যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তা পূরণ করতে পারেননি।

ট্রাস বলেছেন, ‘আমি অর্থনৈতিক ও আন্তর্জাতিক অস্থিতিশীলতার সময়ে ক্ষমতায় এসেছিলাম। পরিবার ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান কীভাবে তাদের বিল পরিশোধ করবে তা নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিল, ইউক্রেনে পুতিনের অবৈধ যুদ্ধ আমাদের পুরো মহাদেশের নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলেছে এবং আমাদের দেশকে অনেক দিন ধরে নিম্ন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মধ্যে আটকে রাখা হয়েছে। এসব পরিবর্তনের জন্য আমি কনজারভেটিভ পার্টির সমর্থন পেয়ে নির্বাচিত হয়েছি। ….আমি স্বীকার করছি, যার জন্য দল আমাকে নির্বার্চিত করেছে, পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে আমি তা পূরণ করতে পারিনি।’