• আজ ৩রা আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

পলাশবাড়ীতে মহাসড়কের নির্মানে অধিকগ্রহনের জন্য মনোনীত তিন গুণ দামের সম্পদ নাম মাত্র মুল্যে নিলামে বিক্রি করেছে সোনালী ব্যাংক

| নিউজ রুম এডিটর ৮:৩৮ অপরাহ্ণ | ডিসেম্বর ২১, ২০২২ সারাদেশ

আশরাফুল ইসলাম গাইবান্ধা::বিগত ২০১৬ সালে মহাসড়কের অধিকগ্রহনের জন্য মনোনীত দামী সম্পত্তির মোট দামের ১০ ভাগের এক ভাগ মুল্যে নিলামের নাম মাত্র দামে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে সোনালী ব্যাংকের বিরুদ্ধে। গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ী পৌর শহরের প্রান কেন্দ্রে চৌমাথা মোড়ে ৪ তলা বিশিষ্ট ভবন মহাসড়কের নব অধিগ্রহনকৃত জায়গা হিসাবে বানিজ্যিক ভাবে পড়ায় প্রায় অর্ধশত কোটি টাকার সম্পদ সৈয়দপ্লাজা স্থানীয় একটি মহল এর নিকট বিশেষ সুবিধা গ্রহন করে মাত্র ১ কোটি ১১ লাখ টাকায় নিলামের মাধ্যমে নাটকীয় বিক্রি ও উক্ত ভবন হস্তান্তরের প্রক্রিয়া সম্পাদন করায় জনমনে নানা আলোচনা সমালোচনা সৃষ্টি করেছে সোনালী ব্যাংক লিমিটেড।

এ বিষয়ে ভবন মূল মালিক এলাকার বাহিরে থাকায় তাদের কোন মন্তব্য পাওয়া নাগেলেও ,নিলামের মাধ্যমে পলাশবাড়ী পৌর শহরের বাসিন্দা এনামুল হক মকবুল এর নামে এ ভবনটি ক্রয়ে মোট নয় জন পাটনার রয়েছেন বলে জানা যায়। এছাড়াও আরো জানা যায় যে,বিগত ১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে উক্ত ভবন নিলামের মাধ্যমে ১ কোটি ১১ লাখ টাকা দিয়ে ক্রয় করা হয়েছে। আইনী জটিলতা থাকায় দীর্ঘদিন পর ২০২২ সালে ২৭ নভেম্বর উক্ত ভবনের মালিকানা হস্তান্তরে পলাশবাড়ী সাব রেজিস্ট্রি অফিসে একটি দলিল সম্পাদন করা হয় এরপর ১৯ ডিসেম্বর বিকালে ব্যাংক কর্তপক্ষ ভবন হস্তান্তর করে ক্রয়কারীদের ভবন ও জমির স্বত্ব বুঝিয়ে দেয় সোনালী ব্যাংক লিমিটেড।

এ বিষয়ে পলাশবাড়ী সাবরেজিস্টার অফিস ও সোনালী ব্যাংক পলাশবাড়ী শাখায় গিয়ে জানা যায় উক্ত ভবনের মালিক সোনালী ব্যাংক গাইবান্ধা শাখর গ্রাহক ও লোন গৃহিতা। উপরোক্ত লোন পরিষদ বা মামলা জটিলতা বিষয়ে সোনালী ব্যাংক গাইবান্ধার প্রিন্সিপাল অফিস দেখভাল করে। এ ভবনটি ও সাড়ে ১১ শতাংশ জমি সরকারি ভাবে তিন গুণ দামের জন্য মনোনীত হওয়ার পরেও কেন নাম মাত্র মুল্যে বিক্রি করলো তা খতিয়ে দেখতে সোনালী ব্যাংকের সংশ্লিষ্টদের ও সরকারের সংশ্লিষ্টদের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন সাধারণ মানুষ।