• আজ ৬ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কামারখন্দে সুষ্ঠুভাবে সার সরবরাহের লক্ষ্যে কঠোর মনিটরিং

| নিউজ রুম এডিটর ৭:২৪ অপরাহ্ণ | জানুয়ারি ১৫, ২০২৩ সারাদেশ

আজিজুর রহমান মুন্না, সিরাজগঞ্জ ঃ সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলায় রবি মৌসুমে কৃষক পর্যায়ে সুষ্ঠুভাবে সার সরবরাহ ন্যায্য মূল্যে বিক্রির লক্ষ্যে কৃষি বিভাগ হতে কঠোরভাবে মনিটরিং চলছে। মজুতের মাধ্যমে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি রোধে সারের গুদাম নিয়মিত পরিদর্শন করা হচ্ছে। সেই সাথে তদারকি করা হচ্ছে সরকারি বাজার দাম।
কামারখন্দ উপজেলা কৃষি অফিসার, কৃষি সম্প্রসারণদ্বয় ও অধিদপ্তর উপসহকারি কৃষি অফিসারদের উপস্থিতিতে সারের গুদাম চেক ও বাজার তদারকি করছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কামারখন্দ।

উপজেলার চাহিদা অনুযায়ী সারের চালান আসার পর উপজেলা কৃষি অফিস এই তৎপরতা কার্যক্রম শুরু করেছে। উদ্দেশ্য, চাহিদা অনুযায়ী সারের সরবরাহ ও সরকার নির্ধারিত মূল্যে নিশ্চিত করা।

জানাগেছে, সারের বাজার স্থিতিশীল ও চাহিদার অনুপাতে সরবরাহ রাখতে তাৎক্ষণিক মোবাইল কোর্ট ও পরিচালনা করা হবে। এগুলো মূল্য তালিকা না টাঙানো সহ সরকার নির্ধারিত দামের বেশি নিলে শাস্তি মূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায় যে, গত ডিসেম্বর মাসে ইউরিয়া ২৮৫ মেঃ, টিএসপি১০৬ মেঃ টন, ডিএপি ১৭০মেঃটন ও এমওপি১৪০ মেঃটন অত্র উপজেলায় বরাদ্দ ছিল এবং বর্তমান জানুয়ারি মাসে ইউরিয়া ৬০৬ মেঃ টন, টিএসপি ১১৩ মেঃ টন, ডিএপি৩২২মেঃটন ও এমওপি৯৭ মেঃটন বরাদ্দ পাওয়া গেছে।

অদ্য তারিখে ইউরিয়া সারের মজুত ২২০ মেঃটন,টিএসপি৬৫মেঃটন,ডিএপি২৮৬ মেঃটন ও এমওপি ৯০ মেঃটন রয়েছে। কৃষি প্রণোদনা কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রায় ৭০ মেঃটন নন ইউরিয়া সার বিনামূল্যে কৃষকদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়াও যেকোন সংকট মোকাবেলায় আরও ৩০০ মেঃটন সার অতিরিক্ত বরাদ্দ হিসেবে অত্র উপজেলায় মজুত রয়েছে।

উপজেলা কৃষি অফিসার জেরিন আহমেদ জানান যে, বাজার তদারকির পাশাপাশি ভ্রাম্যমাণ আদালতের উপস্থিতিতে বিসিআইসি ও খুচরা সারের গুদাম পরিদর্শন অব্যাহত থাকবে। সারের বাজারজাত নিয়ে কোন অনিয়ম ধরা পরলে কোন রুপ ছাড় দেয়া হবে না। এছাড়াও তিনি, অত্র উপজেলার সকল কৃষক ভাইদের লাল সালুতে উল্লেখিত সরকার নির্ধারিত মূল্যে এবং ক্যাশ মেমো সহকারে সার ক্রয়ের পরামর্শ দেন।