• আজ ৩রা শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম

সিরাজদিখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উড়েনা জাতীয় পতাকা!

| নিউজ রুম এডিটর ১০:৩৪ পূর্বাহ্ণ | জুন ২৪, ২০২৩ সারাদেশ

৩০ লক্ষ শহীদের রক্ত, মা বোনদের ইজ্জতের বিনিময়ে দীর্ঘ ৯ মাস যুদ্ধ করে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাঙালি জাতী ছিনিয়ে আনে লাল সবুজের স্বাধীন পতাকা। ২০১০ সালের ২০ জুলাই প্রণীত আইন অনুযায়ী জাতীয় পতাকার প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন না করা হলে ৫ হাজার টাকা জরিমানা বা ১ বছরের কারাদন্ড কিংবা উভয়দন্ডের বিধান থাকলেও মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হচ্ছে না জাতীয় পতাকা উত্তোলন। ৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল ভবনের সামনেই পতাকা মঞ্চ থাকলেও দন্ডগুলোতে রশি দন্ডায়মান থাকতে লক্ষ করা যায়। গত এক সপ্তাহ যাবৎ সরজমিনে পর্যবেক্ষণ করে দেখা যায়, সকাল থেকে সন্ধ্যা পূর্ব পর্যন্ত কোন সময়ই হাসপাতাল ভবনের সামনের পতাকা মঞ্চে উত্তোলন করা হয় না জাতীয় পতাকা।

এদিকে সরকারী ভবনে নিয়ম অনুযায়ী পতাকা না থাকার কারণ হিসেবে হাসপাতালটির দায়ীত্বে থাকা কর্মকর্তার খামখেয়ালী পনাকেই দায়ী করছেন সাধারণ মানুষ। হাসপাতাল সংলগ্ন আশপাশের ব্যবসায়িরা জানান, দীর্ঘদিন ধরেই হাসপাতালে জাতীয় পতাকা উত্তোলন চোখে পড়ে না। এ নিয়ে কাউকে কিছু বলতেও দেখি না। উপজেলার সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মতিন হাওলাদার বলেন, একজন সরকারি কর্মকর্তা একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানে পতাকা উত্তোলন করে না এটা আমাদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হয়! এদিকে, জাতীয় পতাকা আইন ১৯৭২ অনুযায়ী সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোতে অফিস চলাকালীন সময়ে সম্মানের সাথে পতাকা উত্তোলন ও নামানোর কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এ ব্যপারে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাক্তার আঞ্জুমান আরা বলেন জাতীয় দিবসগুলোতে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও শোক দিবসে অর্ধনমিত থাকে। অন্য দিনগুলোতে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের নির্দেশনা নেই! এ ব্যাপারে সিরাজদিখান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শরীফুল আলম তানভীর বলেন, সকল প্রতিষ্ঠানেই জাতীয় পতাকা উত্তোলনের বিধান রয়েছে।