• আজ ৯ই শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সিরাজদিখানে আখের ভালো ফলনে আশায় বুক বেধেছে কৃষক!

| নিউজ রুম এডিটর ১১:৩০ পূর্বাহ্ণ | জুলাই ২৭, ২০২৩ সারাদেশ

গত বছর আখের বাম্পার ফলন ও ভালো দাম পাওয়ায় মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে এ বছর আখ চাষে আগ্রহ বেড়েছে কৃষকদের। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় গত বছরের ন্যায় এবারও আখের আশানুরূপ ফলন হয়েছে। তাই ভালো দামে বিক্রির আশায় আখের পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পাড় করছেন কৃষক। উপজেলার বেশ কয়েকটি ইউনিয়নে আগাম আখ বিক্রি শুরু হয়েছে। আগামী মাস থেকে পুরোদমে আখ বিক্রি শুরু হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। উপজেলার প্রায় সবকটি ইউনিয়নেই আখের চাষাবাদ লক্ষ করা গেলেও ইছাপুরা, কোলা, রশুনিয়া, শেখরনগর, মালখানগর, মধ্যপাড়া, জৈনসার, বয়রাগাদী ইউনিয়নে আখের চাষাবাদ অন্যান্য ইউনিয়নের চাইতে বেশী লক্ষ করা গেছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, গত বছর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ১৮০ হেক্টর জমিতে আখ চাষ করা হলেও এ বছর ১৮২ হেক্টরে জমিতে আখের চাষাবাদ করা হয়েছে।

সাম্প্রতিক বছর গুলোতে উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ফিল্ড কর্মকর্তাদের পরামর্শে বিজ্ঞান সম্মত উপায়ে আখ চাষ করে সাফল্য পাচ্ছেন কৃষকেরা। ফলে গত বছরের তুলনায় এ বছর ২ হেক্টর জমিতে আখের চাষাবাদ বেড়েছে। চন্দনধূল গ্রামের মোঃ সুমন নামে এক কৃষক বলেন, এ বছর ৫০ শতাংশ জমিতে আখ চাষ করেছি, ফলন খুবই ভালো হয়েছে। তবে এখনো জমিতে বর্ষার পানি পৌঁছায়নি। তবে আবহাওয়া অনুকূল থাকলে এবারও আখের ভালো দাম পাব আশা রাখি। চম্পকদী গ্রামের নুর ইসলাম দেওয়ান নামে আরো এক কৃষক বলেন, ‘৪৯ শতাংশ জমিতে আখ চাষ করেছি। ফলন খুবই ভালো হয়েছে। মাঝে মধ্যে বৃষ্টি হওয়াতে আখ গুলো মোটাতাজা ও সুন্দর হয়েছে। এখনো জমিতে পানি আসেনি। তবে আখ মিষ্টি হয়েছে। কিছুদিন পর বিক্রি করা যাবে।

সিরাজদিখান কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপসহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মোঃ মোশারফ হোসেন বলেন, আখ লাভ জনক হওয়ায় কৃষকেরা আখের চাষ বৃদ্ধি করেছেন। এ বছর আখের ফলন ভালো। তবে কিছু কৃষক আমাদের কাছে আখের রোগ বালাইয়ের কথা জানিয়েছেন। রোগবালাই নির্মূলে কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি। এ সংক্রান্তে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আবু সাঈদ শুভ্র বলেন, গত বছর আখের দাম ভালো পাওয়ায় এ বছর চাষিরা আবাদ বৃদ্ধি করেছেন। দিন দিন আখ চাষে কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে। ভবিষ্যতে আখচাষের পরিধি যাতে আরও বাড়ানো যায়, সেই লক্ষ্যে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের সার্বিক পরামর্শ ও সহযোগীতার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।