=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.
  • আজ ৩০শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আর্জেন্টিনার কাছে বিধ্বস্ত বলিভিয়া

| নিউজ রুম এডিটর ১০:২৮ পূর্বাহ্ণ | ১৩/০৯/২০২৩ আন্তর্জাতিক, খেলাধুলা, ফুটবল

লাতিন আমেরিকার বিশ্বকাপ বাছাই পর্বের ম্যাচে দলের সেরা তারকা লিওনেল মেসিহীন বলিভিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামে আর্জেন্টিনা। ম্যাচে নামার আগে বড় ভয় ছিল লাপাজের উচ্চতা। শেষ পর্যন্ত সেই উচ্চতাকে জয় করেই ফিরেছেন আলবিসেলেস্তেরা।

মঙ্গলবার বলিভিয়ার মাঠ লাপাজে ম্যাচটি অনুষ্ঠিত হয় দিবাগত রাত ২টায়। ম্যাচে আলবিসেলেস্তেরা জয় পান ৩-০ গোলে। আর্জেন্টিনার হয়ে গোল করেন এনজু ফার্নান্দেজ, নিকোলাস তাগলিয়াফিকো ও নিকোলাস গঞ্জালেস।

ইকুয়েডর ম্যাচের পরই মেসিকে নিয়ে শঙ্কা ছিল। বলিভিয়ার বিপক্ষে হয়তো নাও খেলতে পারেন এলএমটেন। সেই শঙ্কা সত্যতায় রূপ দিলেন কোচ লিওনেল স্কালোনি। শুধু একাদশেই নয়, স্কোয়াডেই দলের সেরা তারকাকে রাখেননি তিনি। তবে ডাগআউটে মাঠে বসে ঠিকই সতীর্থদের উজ্জীবিত করেছেন সুপার স্টার।

তবে মেসিকে ছাড়াও যে আর্জেন্টিনা জিততে জানে তা মাঠের খেলায় প্রমাণ দিল। লাপাজের উচ্চতা জয় করে শেষ হাসি বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের।

সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১২ হাজার ফুট উচ্চতার লাপাজে এদিন শুরু থেকেই বলদখলে ছিলেন সফরকারীরা। সেই ধারাবাহিকতায় প্রথমার্ধেই লিড আর্জেন্টিনার। অ্যাঞ্জোলো ডি মারিয়ার পাসে পূর্ণতা দেন কাতার বিশ্বকাপের উদীয়মান তারকার পুরস্কার পাওয়া এনজো ফার্নান্দেজ।

বলিভিয়ার জন্য ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’ হয়ে আসে রবার্তো ফার্নান্দেজের লালকার্ড। বিরতির আগে ১০ জনের দলে স্বাগতিকরা। এর পরই ডি মারিয়ার ফ্রি-কিকে মাথা ছুঁইয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন নিকোলাস তাগলিয়াফিকো।

বিরতির পরও আধিপত্য আলবিসেলেস্তেদের। জয়ের আনন্দ বড় করেন নিকোলাস গঞ্জালেস। বিশ্বকাপ বাছাইয়ে দুই ম্যাচে শতভাগ জয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে আলবিসেলেস্তেরা।

বিশ্বকাপ জয়ের পর আর্জেন্টিনা খেলেছে ৬ ম্যাচ। যেখানে শতভাগ সাফল্য স্কালোনি শীষ্যদের। প্রতিপক্ষের জালে দিয়েছেন ১৭ গোল, বিপরীতে কনসিড করেনি একটিও।