• আজ ১লা শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সাতক্ষীরায় মন্দিরের প্রসাদ খেয়ে শিশুর মৃত্যু, চিকিৎসাধীন ৭০ জন

| নিউজ রুম এডিটর ৯:০১ অপরাহ্ণ | জুন ২৪, ২০২৪ সাতক্ষীরা, সারাদেশ

 

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরার কালিগঞ্জের বিষ্ণুপুরে মন্দিরের প্রসাদ (খিচুড়ি) খেয়ে কাব্য দত্ত (৬) নামে এক শিশুর মৃত্য হয়েছে। সোমবার(২৪ জুন) ভোর রাত ১ টার দিকে সাতক্ষীরা শিশু হাসাপাতালে মারা যায় সে। কাব্য দত্ত সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার বিষ্ণুপুর গ্রামের অশোক দত্তের নাতি এবং যশোরের কেশবপুর উপজেলার শৈলগাতি এলাকার উত্তম দত্তের ছেলে। এ ঘটনায় নারী শিশুসহ অন্তত ৭০ জন অসুস্থ হয়ে বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে জানা গেছে।

বিষ্ণুপুর ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম জানান, বানিয়ারজাঙ্গাল বাসন্তী পূজামন্দিরে প্রতি অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে হরি নাম সংকীর্তন আয়োজন করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২২ জুন শনিবার রাতে হরি নাম সংকীর্তন শেষে ভক্তদের মাঝে প্রসাদ হিসেবে খিচুড়ি প্রদান করেন মন্দির কর্তৃপক্ষ। ওই প্রসাদ খেয়ে পরদিন ৭০-৭৫ জন বমি ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হন। আক্রান্তরা কালিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, খুলনা আদ-দ্বীন হাসপাতালসহ বিভিন্ন জায়গায় ভর্তি হয়েছেন।

এর মধ্যে নানার বাড়িতে বেড়াতে এসে প্রসাদ খেয়ে অসুস্থ হওয়া শিশু কাব্য দত্তকে সাতক্ষীরা শিশু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু অবস্থার অবনতি হতে থাকায় উন্নত চিকিৎসার জন্য খুলনায় নিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতিকালে সোমবার ভোররাত একটার দিকে তার মৃত্যু হয়। মৃত শিশুর মরদেহ চুকনগরের শৈলগাতিতে বাবার বাড়িতে নেয়া হয়েছে। খিচুড়ি খাওয়ার পর কেন এত মানুষ অসুস্থ হলো সে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম জানিয়েছেন।

কালিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. বুলবুল কবির জানান, খাদ্য জনিত সমস্যায় অনেক মানুষ এক সাথে অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাদের অনেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হন। বর্তমানে এসব রুগিরা সুস্থ হয়ে উঠছেন।