• আজ ২৪শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
 মরণোত্তর জাতিসংঘ পদকে ভূষিত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষী | শিশু রামিসা হত্যা মামলায় যুক্তিতর্ক উপস্থাপন চলমান | বাবা-মায়ের কবরের পাশে সমাহিত তোফায়েল আহমেদ | আদ্-দ্বীন হাসপাতালে সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগ | নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলায় ছাত্রদল জড়িত নয়’ | নাহিদের তাণ্ডবে কুপোকাত পাকিস্তান, ঐতিহাসিক জয় বাংলাদেশের | শপিংমল-দোকানপাট খোলা রাখা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত মালিক সমিতির | আর কোনো ফ্যাসিবাদী শক্তি যেন পুলিশকে ব্যবহার করতে না পারে: প্রধানমন্ত্রী | গুম-খুনের রাজনীতি থেকে বের হয়ে নতুন দেশ গড়ার প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রীর | মানুষের সঙ্গে মিশে যাবেন, তাদের সঙ্গে নিয়ে নেতৃত্ব দিবেন — জেলা প্রশাসকদের প্রতি এলজিআরডি মন্ত্রী |

রাজধানীর তুরাগে মা ও মেয়ের ওপর অ্যাসিড ছুড়লো ছিনতাইকারী

| নিউজ রুম এডিটর ২:৫০ অপরাহ্ণ | ২২/১১/২০২৪ আইন ও আদালত

 

মোঃরফিকুল ইসলাম মিঠু ঢাকা।। রাজধানীর তুরাগের কামারপাড়া এলাকায় এক নারীর স্বর্ণের চেইন ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। ছিনতাইয়ের পর মা ও শিশু মেয়েকে অ্যাসিড ছুড়ে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।

বৃহস্পতিবার সকালে এ ঘটনা ঘটে। এতে সাথী রানী হালদার (৩৬) ও তার মেয়ে বিজু হালদার (২) ঝলসে যায়।

পরে দুপুরের দিকে দগ্ধ অবস্থায় মা ও মেয়েকে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইন্সটিটিউটের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়।

এসিডে দগ্ধ সাথীর দেবর অশ্বিনী হালদার জানান, আমার ভাই জয় কুমার একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করেন। সকালের দিকে আমার ভাবি আমার ভাতিজি বিজুকে নিয়ে চুল কাটাতে যায়। ভাতিজির চুল কাটিয়ে বাসায় ফেরার পথে বাসার সামনেই ছিনতাইকারী আমার ভাবির গলার চেইন টান দিলে তিনি চিৎকার দেন। ওই সময় তারা আমার ভাবির ওপর এসিড নিক্ষেপ করলে আমার ভাতিজির শরীরে এসেও লাগে।

পরে আমরা খবর পেয়ে দুজনকে উদ্ধার করে উত্তরার একটি হাসপাতালে নিয়ে যাই। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে উন্নত চিকিৎসার জন‍্য ন্যাশনাল বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়।

ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইন্সটিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান জানান, আমাদের এখানে মা ও মেয়ে এসিডে দগ্ধ হয়ে এসেছে। তাদের মধ্যে মেয়ে বিজুর ১৫ শতাংশ দগ্ধ ও সাথী রানীর ১৩ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। দুজনকে ভর্তি দেওয়া হয়েছে। তবে তাদের অবস্থা শঙ্কামুক্ত নয়।

এ ব্যাপারে তুরাগ থানায় যোগাযোগ করলে থানা থেকে জানানো হয় এ বিষয়ে কোন মামলা বা অভিযোগ তারা পায়নি। পেলে যথাযথ ব্যাবস্থা গ্রহণ করবেন। এইরকম পরিস্থিতিতে তুরাগ থানা এলাকার পথচারীদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।