• আজ ১লা জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
 নাহিদের তাণ্ডবে কুপোকাত পাকিস্তান, ঐতিহাসিক জয় বাংলাদেশের | শপিংমল-দোকানপাট খোলা রাখা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত মালিক সমিতির | আর কোনো ফ্যাসিবাদী শক্তি যেন পুলিশকে ব্যবহার করতে না পারে: প্রধানমন্ত্রী | গুম-খুনের রাজনীতি থেকে বের হয়ে নতুন দেশ গড়ার প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রীর | মানুষের সঙ্গে মিশে যাবেন, তাদের সঙ্গে নিয়ে নেতৃত্ব দিবেন — জেলা প্রশাসকদের প্রতি এলজিআরডি মন্ত্রী | স্বাধীন সাংবাদিকতার প্রশ্নে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী | তেল পাচার রোধ ও ঈদকে সামনে রেখে নিরাপত্তা জোরদার | মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা | টেকনাফে গহীন পাহাড়ে মিলল ৩ জনের রক্তাক্ত মরদেহ | নাটকীয় ম্যাচে রিয়ালকে বিদায় করে সেমিতে বায়ার্ন |

সাতক্ষীরার বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে উপচে পড়া ভিড়

| নিউজ রুম এডিটর ১০:৫৫ অপরাহ্ণ | ০৯/০৬/২০২৫ সাতক্ষীরা, সারাদেশ

 

সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: এবারের ঈদের ছুটিতে সাতক্ষীরার বিনোদন কেন্দ্রগুলোতে পরিবার-পরিজন নিয়ে সকল শ্রেণি পেশার হাজারও মানুষের পদচারণায় মুখোরিত হয়ে উঠেছে। সকল বয়সের মানুষের পাশাপাশি তরুণদের মাঝে বেশি উচ্ছ্বাস দেখা গেছে। অনেকে তুলছেন ছবি তুলছেন কেউ সেলফি তুলছেন। সকল বয়সের মানুষের পদ চারণায় মুখরিত সাতক্ষীরা সুন্দরবনের আকাশলীনা ইকো ট্যুরিজম, আব্দুর রাজ্জাক শিশু পার্ক, মোজাফফর গার্ডেন, উড়াল উড়াল মন ট্যুরিজম, কারামোরা ম্যানগ্রোভভিলেজ, লিমপিড গার্ডেন, ঐতিহাসিক বনবিবি তলা (বটগাছ), রূপসী দেবহাটা ম্যানগ্রোভ পর্যাটন কেন্দ্র, সীমান্তের ইছামতি নদীর তীরে টাকীর ঘাট, শ্যামনগর জমিদার বাড়ি, নলতা রওজা শরীফ, সোনাবাড়িয়া মঠ মন্দিরসহ বিভিন্ন বিনোদন কেন্দ্রগুলো। ঈদ উপলক্ষে এইসব বিনোদনকেন্দ্র সেজেছে নবরূপে। সব বয়সী মানুষের ভিড় জমলেও সিংহভাগ দখল করে রাখে শিশুরা ও তরুণরা।

সব এলাকায় দেখা গেছে একই চিত্র। মা-বাবার হাত ধরে, কেউবা ভাই-বোন, আত্মীয় স্বজনের হাত ধরে ঘুরছে। শুধু শিশুরাই নয়, শিশুদের সঙ্গে অভিভাবকরাও কিছুক্ষণের জন্য হারিয়ে যাচ্ছেন আনন্দের রাজ্যে।

গ্রাম থেকে শহর ছুটে বেড়াচ্ছে শিশু ও তরুণরা। ছোট ছোট পিকআপ ভাড়া করে লাউডস্পিকার/সাউন বক্স লাগিয়ে বিভিন্ন গান বাজনা করে ঘুরে বেড়াচ্ছে তরুণরা। সীমান্তের ইছামতির নদীর তীর বা ভোমরা স্থলবন্দরেও মানুষের উপচে পড়া ভিড়ের খবর এসেছে।

অনেকে পরিবার-পরিজন সাথে নিয়ে মাইক্রোবাস বা মোটরসাইকেলে হাজার হাজার মানুষ আসছেন এসব এলাকায়। সঙ্গে এনেছেন পরিবার-বন্ধু-স্বজন বা শুভাকাক্ষীদের। তুলছেন ছবি তুলছেন সেলফি। মোজাফফর গার্ডেনে ঘুরেতে আসা আরিফুল ইসলাম নামে একজন বলেন, আজ পরিবার নিয়ে ঘুরতে এলাম অনেক ভালো লাগছে।

সুন্দরবন সংলগ্ন আকাশলীনায় ঘুরতে আসা সাহারা দম্পতি বলেন, আমরা ঢাকায় থাকি এজন্য গ্রামের বাড়ি ঈদ করতে এলে পরিবারসহ সুন্দরবন থেকে বেড়িয়ে যাই।
স্থান ঘুরে বেড়াচ্ছি। খুব ভাল লাগছে।

পর্যটকদের নিরাপত্তা ও সেবায় স্থানীয় প্রশাসন এবং সাতক্ষীরা জোন টুরিস্ট পুলিশ প্রস্তুত রয়েছে। এলাকায় সাময়িক নিরাপত্তার ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। সব মিলিয়ে, “আকাশলীনা” এলাকায় ঈদ আনন্দে মেতে উঠেছেন পর্যটক ও স্থানীয়রা। আগামী কয়েক দিন এ ভিড় আরও বাড়বে বলেই মনে করা হচ্ছে।

এ ব্যাপারে সাতক্ষীরা জেলা প্রশাসক মোস্তাক আহম্মেদ বলেন, জেলার মানুষ যারা বাহিরে থাকে তারা সকলে নাড়ির টানে নিজ এলাকায় ফিরেছেন। অনেকে ঈদের দিন বেড়িয়েছেন অনেক কোরবানি দিতে গিয়ে বের হতে পারেননি। তারাও জেলার বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে ঘুরে বেড়াচ্ছেন। এজন্য পর্যটন কেন্দ্রগুলোর কোথাও যাতে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে সেজন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সর্তক থাকতে বলা হয়েছে।