• আজ ২৪শে চৈত্র, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
 দমকা হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে তিন বিভাগে | সত্য সংবাদ প্রকাশে বিদেশি গণমাধ্যমের মিথ্যার ওপর চুনকালি পড়বে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা | শরীয়তপুরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে রণক্ষেত্র, শতাধিক বোমা বিস্ফোরণ | জরুরি সভা ডেকেছেন প্রধান উপদেষ্টা | ভারতের সম্পর্ক কোনো ব্যক্তি বা রাজনৈতিক দলের সঙ্গে নয়: মোদি | বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে নানা প্রশ্ন | শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোসহ মোদির সঙ্গে যেসব বিষয়ে কথা হলো ইউনূসের | হলে-মেসে থাকা উপদেষ্টারা এখন পরেন ৪০ লাখের ঘড়ি: বরকত উল্লাহ বুলু | আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যুর ইতিবাচক সমাধান হবে: প্রধান উপদেষ্টা | এসএসসি পরীক্ষা একমাস পেছানোর দাবিতে অসহযোগ আন্দোলনের ডাক |

ইমামকে নামাজ না পড়াতে আইনি নোটিশ

| নিউজ রুম এডিটর ৫:৫১ অপরাহ্ণ | সেপ্টেম্বর ২০, ২০২১ সারাদেশ

প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ও যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও প্রভাব খাটিয়ে মসজিদে ইমামতি করার অভিযোগ উঠেছে। ইমামতি না করতে সৈয়দ ইকরাম আলী মুন্সী নামে কথিত ওই ইমামকে আইনি নোটিশ দেয়া হয়েছে।

এমন ঘটনা ঘটেছে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার মহেশপুর ইউনিয়নের হিরোণ্যকান্দি উত্তরপাড়া গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের মৃত হাসমত আলী মুন্সীর ছেলে।

হিরোন্যকান্দি গ্রামের বাসিন্দা মো. দেলোয়ার শেখের পক্ষে গোপালগঞ্জ জজ কোর্টের আইনজীবী মো. সরোয়ার শিকদার এ নোটিশ দিয়েছেন।

নোটিশে বলা হয়েছে- সৈয়দ ইকরাম আলী মুন্সী ধর্মীয় কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষা গ্রহণ করেননি। তিনি এলাকার লাঠিয়াল ও প্রভাবশালী হওয়ায় পেশিশক্তির জোরে মসজিদে ইমামতি করছেন। মসজিদ পরিচালনা কমিটি কর্তৃক নিয়োগপ্রাপ্ত বৈধ ইমাম থাকা সত্ত্বেও তিনি নিজেকে ইমাম দাবি করছেন। মিলাদ ও দোয়া উপলক্ষে মসজিদে মুসল্লিদের দেয়া হাদিয়া তিনি ভোগ করছেন।

আরও বলা হয়েছে, তিনি মসজিদকে ব্যক্তিগত ঘরের মতো ব্যবহার করছেন। মসজিদের বারান্দায় কাঠমিস্ত্রি দিয়ে ফার্নিচার তৈরির কাজ করান। মসজিদের মোটর দিয়ে পানি তুলে নিজের ভবন নির্মাণ কাজে ব্যবহার করছেন। মসজিদের জায়গার গাছপালার ফল-ফলাদি তিনি ভোগ করছেন। এলাকার মুসল্লিরা এসব বিষয় বাধা দিলেও, তিনি তা মানছেন না। ১০ দিনের মধ্যে ইমামতি করা থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

এদিকে এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ওই এলাকায় বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

এ ব্যাপারে সৈয়দ ইকরাম আলী মুন্সীর সঙ্গে কথা হলে তিনি কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে ধর্মীয় শিক্ষা গ্রহণ করেননি স্বীকার করে বলেন, আমি মসজিদ কমিটির অনুমতি নিয়ে মাঝে-মধ্যে আজান দেই ও ইমামতি করি। আমার পূর্বপুরুষ থেকে ইমামতি করে আসছি। তবে একটি মহল আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করছেন।

পিএন/জেটএস