• আজ ৬ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
 নাটকীয় ম্যাচে রিয়ালকে বিদায় করে সেমিতে বায়ার্ন | দেশের একমাত্র তেল শোধনাগার বন্ধ ঘোষণা | সংসদে মন্ত্রীদের কথা শুনলে মনে হয় দেশ তেলের ওপর ভাসছে: জামায়াত আমির | শাহজালাল বিমানবন্দর ‘জিয়া’ নামে ফিরবে কিনা জানালেন মন্ত্রী | জ্বালানি তেলের দাম বাড়ছে কিনা জানাল সরকার | নেপালের নতুন প্রধানমন্ত্রী কে এই বালেন্দ্র শাহ? | ঈদের পরই নতুন সরকারের সামনে যে বড় তিন চ্যালেঞ্জ | ট্রেনে ফিরতি যাত্রা: আজ মিলছে ২৮ মার্চের টিকিট | নিজ নির্বাচনী এলাকায় চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর; চালু হলো হটলাইন | ‘ঘরে ঘরে প্রলোভনকারীদের বিষয়ে সজাগ থাকুন’—পল্লবীতে আমিনুল হক |

মায়ের মৃত্যুর পর লাশ ড্রামে ভরে সিমেন্ট-বালি দিয়ে আটকে দিলেন ছেলে: রিপোর্ট

| নিউজ রুম এডিটর ২:০৭ অপরাহ্ণ | ১৭/০৫/২০২২ আন্তর্জাতিক

মাকে নিজের সঙ্গে রাখতে চান তিনি। আর তাই মায়ের মৃত্যুর পর তার মরদেহ পানির ড্রামে ভরে সিমেন্ট-বালি দিয়ে গেঁথে দিলেন ছেলে। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের তামিলনাড়ু প্রদেশের নীলাঙ্গারা অঞ্চলের সারাবাস্তি এলাকায়।

ইন্ডিয়ান ন্যাশন, বিহাইন্ড উডস, আনন্দবাজার পত্রিকাসহ ভারতীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বছরখানেক আগে স্ত্রী ছেড়ে চলে যাওয়ার পর থেকেই বৃদ্ধা মা শেনবাগামকে নিয়ে থাকতেন সুরেশ। খুব কমই বাড়ির বাইরে দেখা যেত শেনবাগামকে। কিন্তু দু’সপ্তাহ ধরে তাকে বাড়ির বাইরে একবারও না দেখতে পেয়ে প্রতিবেশীদের সন্দেহ হয়। তখন তারা সুরেশের স্ত্রীকে বিষয়টি জানান।

তিনি আবার সুরেশের ভাইকে খবর দেন। এরপর সুরেশের ভাই ওই বাড়িতে যান। মাকে দেখতে না পেয়ে ভাইকে জিজ্ঞাসাও করেন তিনি। তখন সুরেশ তার ভাইকে বলেন, “মা তো দু’সপ্তাহ আগেই মারা গেছে! যখন মা বেঁচে ছিল কেউ আসেনি।

তাই মারা যাওয়ার পর আমি নিজেই তার সৎকার করেছি। ”
এর পরের উত্তরের জন্য তিনি প্রস্তুত ছিলেন না। এরপরই সুরেশ তার ভাইকে একটি প্লাস্টিকের ড্রাম দেখান এবং বলেন, “ওই ড্রামেই মা আছে। নিজের সঙ্গে রাখতে মাকে ওখানেই রেখে দিয়েছি আমি। ” এই কথা শুনে চমকে ওঠেন সুরেশের ভাই।

ড্রামের কাছে যেতেই তিনি দেখেন সিমেন্ট-বালি দিয়ে ড্রামের মুখ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এরপরই পুলিশে খবর দেন সুরেশের ভাই। পুলিশ এসে ড্রাম থেকে বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করে। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ জানিয়েছে, অসুস্থতার কারণেই মৃত্যু হয়েছিল শেনবাগামের।

পুলিশ জানিয়েছে, সুরেশ দর্জির কাজ করেন। স্ত্রীর সঙ্গে ছাড়াছাড়ি হয়ে যাওয়ার পর মানসিকভাবে বিপর্যস্ত তিনি।