=== console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block. === console.log('header!'); // Easy to add and display post grid on your website with or without categoryies filter. Also work with Gutenberg shortcode block.
  • আজ ২৭শে আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রানির মৃত্যুকে ঘিরে ‘অপারেশন লন্ডন ব্রিজ’

ব্রিটেনের দীর্ঘ সময় রাজত্ব করেছেন ৯৬ বছর বয়সী রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথ। বৃহস্পতিবার রানির মৃত্যুর মধ্যে দিয়ে তার ৭০ বছরের রাজত্বের অবসান ঘটলো। তার মৃত্যুকে ঘিরে ‘অপারেশন লন্ডন ব্রিজ’ নামে পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। রানির শেষকৃত্যের জন্য ১০ দিনের যেসব আনুষ্ঠানিকতা আছে, সেটাই অপারেশন লন্ডন ব্রিজ।

লন্ডন ব্রিজ হচ্ছে রানির সাংকেতিক নাম। রানি মারা যাওয়ার পর ‘লন্ডন ব্রিজ ইজ ডাউন’ বলে সংবাদটি প্রকাশ করা হয়।
ব্রিটেনের ইতিহাসে সব থেকে বেশি দিন ধরে রানির দায়িত্ব সামলেছেন দ্বিতীয় এলিজাবেথ। মৃত্যুর ১০ দিন পরে তাকে কবর দেওয়া হবে।

তার আগে তার ছেলে তথা উত্তরসূরি যুবরাজ চার্লস ব্রিটেন সফর করবেন। ব্রিটেনের চারটি দেশে যাওয়ার কথা তার। পরিকল্পনা অনুযায়ী রানির কফিন ব্রিটেনের সংসদে তিন দিন রাখা থাকবে। কারণ দ্বিতীয় এলিজাবেথকে শ্রদ্ধা জানাতে হাজার হাজার মানুষ আসতে পারেন বলেই মনে করা হচ্ছে।

যদিও বিষয়টি নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও কিছু জানানো হয়নি।
রানির শেষ যাত্রায় বহু মানুষ অংশ নিতে পারেন বলে ধারণা ব্রিটেনের সরকারের। সেই কারণে কড়া নিরাপত্তার বলয়ে সবটা করা হবে বলেই পরিকল্পনা করা হয়েছে। এছাড়া সেন্ট পলস ক্যাথেড্রালে রানির শোকসভার আয়োজন করা হবে। বেশ কয়েক দিন ধরে চলবে সেই শোকসভা।

রানির মারা যাওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয় স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায়। সংবাদটি প্রথমে প্রধানমন্ত্রী ও কেবিনেট সেক্রেটারিসহ দেশটির উচ্চপদস্থ সবাইকে জানানো হয়েছে। তারা রানিকে দেখতে নির্দিষ্ট ড্রেস কোড মেনে আসতে পারবেন।

প্রথমদিন রাজকীয় বাসভবন, হোয়াইট হল এবং অন্যান্য সরকারি ভবনের পতাকা অর্ধনমিত রাখা হবে, রাজপরিবারের ওয়েবসাইটটি রানির মৃত্যুর সংক্ষিপ্ত বিবৃতিসহ একটি কালো পৃষ্ঠায় পরিবর্তিত হবে। সরকারি ওয়েবসাইটগুলোতেও কালো ব্যানার যুক্ত করা হবে। সরকারের পক্ষ থেকে প্রথম প্রধানমন্ত্রী এ ব্যাপারে বিবৃতি দেবেন।

দ্বিতীয় দিন রানির কফিন বাকিংহাম প্যালেসে আনার কথা রয়েছে। তৃতীয় দিন সকালে তার ছেলে ও ব্রিটেনের পরবর্তী নতুন রাজা কিংস চালর্স ওয়েস্টমিনিস্টার হলে শেষকৃত্য আয়োজনে অংশ নেবেন। এরপর বিকেলে ব্রিটেনের চারটি জায়গায় ভ্রমণের উদ্দেশ্যে যাবেন তিনি। চতুর্থ দিন রয়্যাল মাইল বরাবর হলিরুড থেকে সেন্ট জাইলস ক্যাথেড্রাল পর্যন্ত রাজপরিবারের সদস্যদের অংশগ্রহণে একটি আনুষ্ঠানিক শোকযাত্রা হবে।

সেই অনুষ্ঠানের পরে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য সেন্ট জাইলস ক্যাথেড্রাল উন্মুক্ত করা হবে। আর রাষ্ট্রীয় শ্রদ্ধা জানানো হবে লন্ডনে। পঞ্চম দিন রাজা চার্লস উত্তর আয়ারল্যান্ডে যাবেন, সেখানে হিলসবরো ক্যাসেলে তাকে সমবেদনা জানানো হবে। রানি দ্বিতীয় এলিজাবেথের জন্য প্রার্থনার জন্য বেলফাস্টের সেন্ট অ্যান’স ক্যাথেড্রালে যোগ দেবেন চার্লস।

ষষ্ঠ থেকে নবম দিন পর্যন্ত বাকিংহাম প্যালেসে প্রতিদিনই ২৩ ঘণ্টা রানির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সর্ব সাধারণের জন্য খোলা থাকবে। দশম দিনে রানির ওয়েস্টমিনিস্টার অ্যাবেতে তার শেষকৃত্যের শেষ আয়োজন হবে। একই সাথে দেশব্যাপী রানির জন্য দুই মিনিট নীরবতা পালন করা হবে। যদিও সব কিছু পূর্ব পরিকল্পনা। এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছুই জানানো হয়নি।