• আজ ৬ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সরকারি খাল দখল করে ভবন নির্মাণের অভিযোগ আসাদুজ্জামান খোকনের বিরুদ্ধে

| নিউজ রুম এডিটর ৩:৫৬ অপরাহ্ণ | জুলাই ১৭, ২০২৩ সারাদেশ

খালের চারপাশে ধান চাষের মাঠ থাকলেও নেই পানি। শুকিয়ে পুরো খাল প্রায় পানিশূন্য। তার ওপর খালের মধ্যেই স্থাপনা তৈরি করে অবাধে চলছে দখলের প্রতিযোগিতা” দূর থেকে বোঝার উপায় নেই খালের অস্তিত্ব। কোথাও বা পাড় ঘেঁষে আবার কোথাও মাঝে পিলার দিয়ে তৈরি করা হচ্ছে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ বসতবাড়ি। এক সময়ের খাল এখন মানুষের দখলে চলে গিয়ে যেন মরা ডোবায় পরিণত হয়েছে।

এভাবেই নির্মিত হচ্ছে স্থাপনা। এ নিয়ে বেশ কয়েকবার উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ জেলা প্রশাসক বরাবর লিখিত অভিযোগ জানিয়েও তেমন কোনো প্রতিকার পায়নি বলে দাবি স্থানীয়দের। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় বটতলা বাজারের এক ব্যবসায়ী জানান, গায়ের জোর খাটিয়ে খালের জায়গা দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করছে আসাদুজ্জামান খোকন কৃষি অফিসের উপ সহকারী কাঠালিয়া । আমরা বেশ কয়েকবার বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেও উল্টো আমাদের মামলা-হামলার ভয় দেখিয়ে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করেছে।

খালের মুখ বন্ধ করে স্থাপনা নির্মাণের ফলে বর্ষা মৌসুমে পানি প্রবাহের মুখ বন্ধ হয়ে আমাদের বসতবাড়িসহ চাষের জমিতে পানি প্রবাহিত হয়। এতে একদিকে যেমন সৃষ্টি হচ্ছে জলাবদ্ধতা, অপরদিকে ফসল ক্ষতি হয়ে আমাদের লোকসানের মুখে পড়তে হয়। আমরা এ বিষয় নিয়ে বেশ কয়েকবার প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ করেও এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিকার পাইনি ভূমি অফিসের বাঁধা উপেক্ষা করে ঝালকাঠির কাঠালিয়া উপজেলার ৪নং ইউনিয়নের বটতলা বাজারের সরকারি খাল দখল করে ভবন ও কাঠের ঘর নির্মাণ অব্যাহত রাখা অভিযোগ পাও গেছে ”
স্থানীয়রা জানান, গত কয়েকদিন যাবত বটতলা বাজার সংলগ্ন খালের একাংশ দখল করে পাকা ভবন নির্মাণ কাজ শুরু করেন আসাদুজ্জামান খোকন উপ সহকারী কৃষি অফিস কাঠালিয়া এই প্রভাবশালী ব্যক্তি। বিষয়টি জানতে পেরে নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখার জন্য ৪নংইউনিয়ন ভূমি অফিস থেকে বাধা প্রদান করা হলেও কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন ওই ব্যক্তি। সরেজমিনে পাও এক ব্যাক্তির সাথে জিজ্ঞেস করলে বলেন , ভবন- কাঠের ঘর নির্মাণ নয় এখানে একটি কৃষি ক্লাব ঘর নির্মাণ করা হবে।

এবিষয়ে মোঃ আসাদুজ্জামান খোকনের কাছে মুঠোফোনে একাধিকবার কল দিলে নম্বরটি বন্ধো পাও যায়

৪নং ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তহসিলদার জাকির হোসেন জানান, সরকারি জমি দখল করে ভবন নির্মাণে বাধা দেওয়া পরও আসাদুজ্জামান খোকন নামের ওই ব্যক্তি ভবন ও কাঠের ঘর নির্মাণ চালিয়ে আসছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।

কাঁঠালিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মিজানুর রহমান’ দৈনিক দক্ষিণের ক্রাইমকে বলেন, সরকারি জায়গা দখলকারী সকলের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কেউ সরকারি জায়গা বা সরকারি খাল দখল করার চেষ্টা করলে আমরা তাৎক্ষণিক তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থাসহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করব।