• আজ ২৭শে চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
 শাহজালাল বিমানবন্দর ‘জিয়া’ নামে ফিরবে কিনা জানালেন মন্ত্রী | জ্বালানি তেলের দাম বাড়ছে কিনা জানাল সরকার | নেপালের নতুন প্রধানমন্ত্রী কে এই বালেন্দ্র শাহ? | ঈদের পরই নতুন সরকারের সামনে যে বড় তিন চ্যালেঞ্জ | ট্রেনে ফিরতি যাত্রা: আজ মিলছে ২৮ মার্চের টিকিট | নিজ নির্বাচনী এলাকায় চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর; চালু হলো হটলাইন | ‘ঘরে ঘরে প্রলোভনকারীদের বিষয়ে সজাগ থাকুন’—পল্লবীতে আমিনুল হক | সেহরি ইফতার তারাবির সময় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর | প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন যারা | তারেক রহমান সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত |

প্রধান উপদেষ্টার সাক্ষাতের অনুরোধে সাড়া দিলেন না ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী

| নিউজ রুম এডিটর ১১:২০ পূর্বাহ্ণ | জুন ১২, ২০২৫ আন্তর্জাতিক, জাতীয়, লিড নিউজ

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাতের অনুরোধে সাড়া দেননি যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার।

ফিন্যান্সিয়াল টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমলে পাচার হওয়া কয়েক বিলিয়ন ডলার উদ্ধারের প্রচেষ্টায় বৃটেন সরকারের জোরালো সমর্থন আদায়ের প্রেক্ষিতে স্টারমারের সঙ্গে সাক্ষাতের কথা জানায় বাংলাদেশ। তবে, তাতে সাড়া দেননি স্টারমার। এই তথ্য জানানো হয়েছে।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক গণমাধ্যমটিকে দেওয়া সাক্ষাতকারে ড. ইউনূস বলেছেন, বাংলাদেশ থেকে পাচার হওয়া বিপুল পরিমাণ অর্থ উদ্ধারে সহযোগিতা করা বৃটেনের ‘নৈতিক দায়িত্ব’। কেননা পাচার হওয়া ওই অর্থের বেশির ভাগই বৃটেনে রয়েছে। তবে ড. ইউনূস বলেছেন, এখনও এ বিষয়ে সাক্ষাৎ করতে রাজি হননি স্টারমার।

প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, তার (বৃটেনের প্রধানমন্ত্রী) সঙ্গে আমার সরাসরি কোনো আলোচনা হয়নি। তবে স্টারমার বাংলাদেশের পাচারকৃত অর্থ উদ্ধারে সমর্থন করবেন বলে আশা ব্যক্ত করেছেন তিনি। ড. ইউনূস বলেন, ‘এগুলো চুরির টাকা।’

এদিকে যুক্তরাজ্য সরকারের কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন, অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে এখন সাক্ষাৎ করার কোনো পরিকল্পনা কিয়ার স্টারমারের নেই। এ বিষয়ে আর কোনও মন্তব্য করতে রাজি হননি তারা। তবে প্রধান উপদেষ্টা জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে অর্থ উদ্ধারে কিছু সহায়তা করছে বৃটেন। কেননা পাচার হওয়া অর্থ উদ্ধারে বাংলাদেশকে সহায়তা দিতে দেশটির নৈতিক ও আইনগত দায়িত্ব রয়েছে বলে মনে করেন তিনি।

প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, এসব অর্থ ফেরত আনতে বৃটেন সরকারের আরও সমর্থন আদায় করাই ছিল এবারের লন্ডন সফরের উদ্দেশ্য।