
সিলেট ব্যুরো : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সিলেট–১ (নগর ও সদর) আসনে বিএনপি প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারণায় বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগে সিলেট মহানগর পুলিশের এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ মুবাশ্বির আলীর বিরুদ্ধে লিখিত আবেদন করা হয়েছে।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সিলেট–১ আসনের বিএনপি প্রার্থী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট রেজাউল হাসান কয়েস লোদী জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা এবং সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনারের কাছে লিখিতভাবে অভিযোগ দাখিল করেন। একই সঙ্গে অভিযোগের অনুলিপি প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিবের কাছেও পাঠানো হয়।
অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, আনুষ্ঠানিক নির্বাচনী প্রচারণা শুরুর পর থেকে এয়ারপোর্ট থানার ওসি শাহ মুবাশ্বির আলী নানাভাবে বিএনপি প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকদের হয়রানি করছেন। এর ফলে প্রার্থীর স্বাভাবিক প্রচার-প্রচারণা ব্যাহত হচ্ছে বলে দাবি করা হয়।
লিখিত অভিযোগে আরও বলা হয়, উক্ত কর্মকর্তা অন্য এক প্রার্থীর স্বার্থ রক্ষায় সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন—এমন ধারণা তৈরি হয়েছে। এতে করে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এয়ারপোর্ট থানার আওতাধীন ভোটকেন্দ্রগুলোর নিরাপত্তা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে গভীর উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
এ বিষয়ে রেজাউল হাসান কয়েস লোদী বলেন, শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতেই তারা অভিযোগ দাখিল করেছেন। তিনি বলেন, কোনো পুলিশ কর্মকর্তা যদি নির্দিষ্ট কোনো প্রার্থীর পক্ষে কাজ করেন, তাহলে তা গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। পাশাপাশি বিএনপি কর্মী-সমর্থকদের অহেতুক হয়রানির অভিযোগও করেন তিনি।
তিনি আরও জানান, লিখিত অভিযোগের মাধ্যমে দ্রুত প্রতিকার চাওয়া হয়েছে এবং নির্বাচনী মাঠে সবার জন্য সমান সুযোগ বা লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে এয়ারপোর্ট থানার ওসি শাহ মুবাশ্বির আলীর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
পি নিউজ/ পুলিশ সিলেট






















