

বরগুনা প্রতিনিধি: গত ৫জুন, ২০২৪ ইং রোজ বুধবার ষষ্ঠ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের চতুর্থধাপে তালতলী উপজেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত নির্বাচনে অনেকগুলো ভোটকেন্দ্রে অনিয়ম ও দুর্নীতি হয়েছে। বলছে উপজেলা নির্বাচন প্রার্থী ছিলেন রেজবি উল কবির তিনি আরো বলেন
যেমন-আমার এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেয়া, জাল ভোট দেওয়াসহ অনেক অনিয়ম করা হয়েছে। যে সকল কেন্দ্রে অনিয়ম হয়েছে সেই কেন্দ্রগুলো হচ্ছে- পচাঁকোড়ালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সকিনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সকিনা পাড়া, কবিরাজপাড়া আরো আনেক কেন্দ্রেতে এই অনিয়ম হয়েছে।
বেজবি বলেন বিগত পাঁচ বছর আগে তালতলী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে, আমি বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেছি।
গত ৫জুন ৪র্থ ধাপের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আমাকে ১৯৯১ ভোটের ব্যবধানে মো. মনিরুজ্জামান মিন্টু (আনারস প্রতীক) এর কাছে হেরে গেছেন রেজবি ।
অন্যদিকে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর থেকেই রেজবি নেতাকর্মীদের উপর হামলা, ঘর বাড়ী ভাংচুর ও লুটপাট করে উপজেলা পরিষদের বর্তমান বিজয় চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান মিন্টু’র নেতা কর্মীরা এমনটাই অভিযোগ করে।
বরগুনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন রেজবি বলেন আমার লোক এখন বাহিরে বের হতে পারে না মিন্টু নেতাকর্মীদের জন্য, রেজবি তার অহত সমর্থক নাম বলে বরগুনা প্রেসক্লাবে বসে রুহুল আমিন, মো. ফারুক হাওলাদার, হাসান হাওলাদার, সোহেল রানা, লাভলি বেগম, স্বামী মোহাম্মদ ফারুক খান, মো. খলিল ফকির, সামীম ফকির, মো. পিন্স, বশির আলম, মো. মনির মাষ্টার সহ শতাধিক রেজবি সমর্থকদের মরধরসহ একাধিক ঘর বাড়ি ভাংচুর করে।
এমনকি একজন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে মারধর করে নবনির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান প্রার্থী মনিরুজ্জামান মিন্টু বাসায় তার সমর্থনে এবং তার সামনেই জসিম মেম্বার।