• আজ ১৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
 নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলায় ছাত্রদল জড়িত নয়’ | নাহিদের তাণ্ডবে কুপোকাত পাকিস্তান, ঐতিহাসিক জয় বাংলাদেশের | শপিংমল-দোকানপাট খোলা রাখা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত মালিক সমিতির | আর কোনো ফ্যাসিবাদী শক্তি যেন পুলিশকে ব্যবহার করতে না পারে: প্রধানমন্ত্রী | গুম-খুনের রাজনীতি থেকে বের হয়ে নতুন দেশ গড়ার প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রীর | মানুষের সঙ্গে মিশে যাবেন, তাদের সঙ্গে নিয়ে নেতৃত্ব দিবেন — জেলা প্রশাসকদের প্রতি এলজিআরডি মন্ত্রী | স্বাধীন সাংবাদিকতার প্রশ্নে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী | তেল পাচার রোধ ও ঈদকে সামনে রেখে নিরাপত্তা জোরদার | মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা | টেকনাফে গহীন পাহাড়ে মিলল ৩ জনের রক্তাক্ত মরদেহ |

দুই ইউএনওসহ সহকারী কমিশনারের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা, তদন্তের নির্দেশ

 

রাকিবুল আওয়াল পাপুল, শেরপুর জেলা প্রতিনিধিঃ
জামালপুরের বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, নালিতাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং নালিতাবাড়ীর সহকারী কমিশনার (ভূমি) এর বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির মামলা হয়েছে আদালতে। আজ সোমবার নালিতাবাড়ীর সিআর আমলি আদালতে চাঁদাবাজির মামলা দায়ের করেন গোলাপ হোসেন নামে শ্রীবরদী উপজেলার এক ব্যবসায়ী।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের জুন মাসে আদালতের মাধ্যমে ২৫ হাজার ঘনফুট বালু নিলামে কিনে নেয় শ্রীবরদী উপজেলা ব্যবসায়ী গোলাপ হোসেন। নিলামে বিক্রয় করা বালু গোলাপ হোসেনকে বুঝিয়ে দিতে ৬ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করেন তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদ রানা। পরবর্তীতে মাসুদ রানা বদলি হয়ে বকশীগঞ্জ উপজেলায় চলে গেলে বর্তমান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা আক্তার ববি এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) আনিছুর রহমানকে চাঁদার ওই টাকা না দিলে বালু বুঝিয়ে দিচ্ছেন না বলে দাবি করেন ব্যবসায়ী গোলাপ হোসেন।

আজ সোমবার নালিতাবাড়ীর সিআর আমলি আদালতে বকশীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাসুদ রানা, নালিতাবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফারজানা আক্তার ববি এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) আনিছুর রহমানকে বিবাদী করে ৬ লক্ষা টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ তুলে মামলা দায়ের করেন ভুক্তভোগী গোলাপ হোসেন। পরে বিষয়টি তদন্তের জন্য অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে তদন্তের নির্দেশ দেন আদালত।

এ ব্যাপারে মামলার বাদী গোলাপ হোসেন বলেন, ‘আমি বালু নিলামে ক্রয় করে নেওয়ার পর থেকেই ছয় লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন আগের ইউএনও মাসুদ রানা সাহেব। আমি টাকা না দেওয়ায় আমাকে বালু বুঝিয়ে না দিয়ে বদলি হয়ে চলে যায়। বর্তমান ইউএনও ও এসিল্যান্ড সাহেবও টাকা ছাড়া বালু দিচ্ছে না। তাই আমি আদালতে মামলা দায়ের করেছি।’

আইনজীবী অ্যাডভোকেট জাহিদুল হক আধার বলেন, ‘আমার মওয়াক্কেল নিয়ম মোতাবেক নিলামে বালু নিয়েও চাঁদার টাকা না দিতে পারায় বালু বুঝিয়ে পায় নাই। এতে সে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বিষয়টি আমরা আদালতে মামলা করেছি। আদালত তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। আশা করি আমরা ন্যায় বিচার পাব।’