=== console.log('header!'); // вставь сюда свой код полностью
  • আজ ২০শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কিশোরগঞ্জে স্কুলের ইট গোপনে বিক্রি করেন প্রধান শিক্ষিকা,তদন্তে ২ সদস্যের কমিটি গঠন

| নিউজ রুম এডিটর ৮:৫৫ অপরাহ্ণ | ২৪/০৬/২০২৫ শিক্ষাঙ্গন

 

কে এম শাকীর, নীলফামারী প্রতিনিধিঃ নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে বাহাগিলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পুরাতন ভবনের ইট চুরি করে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মাহজুবা উম্মে লাবনীর বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত করে বিচার চেয়ে বিভিন্ন দফতরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন এলাকাবাসী ।

ইট চুরির ঘটনা ঘটেছে ১৯ জুন বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে ও ২০ জুন শুক্রবার সকালে। ঘটনার ৫ দিন অতিবাহিত হলেও প্রশাসনিক ভাবে নেয়া কোন ব্যবস্থা।

মঙ্গলবার (২৪ জুন) স্থানীয় ও লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সরকারি ভাবে বিদ্যালয়ের নতুন ভবন (ওয়াশ ব্লক) কাজের বরাদ্দ পাওয়ায় পুরাতন ভবন ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে। পরে পুরাতন ভবনের ইট, টিন বিভিন্ন সরঞ্জাম বিদ্যালয়ের মাঠে স্তুপ করে রাখা হয়। সেখান থেকে গত বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার ট্রলিতে উঠিয়ে গোপনে রাতের আধারে কয়েক হাজার ইট এক ঠিকাদারের কাছে বিক্রি করেন ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা লাবনী।

মাঝরাতে বিষয়টি বুঝতে পেরে স্থানীয়রা ইটসহ দুটি ট্রলি গাড়ী আটকিয়ে রাখেন। পরে স্থানীয়রা থানায় খবর দিলে থানা পুলিশ সেখানে গিয়ে শিক্ষিকার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে খবর দেয়।এসময়ে তারা গিয়ে গাড়ী থেকে ইট নামিয়ে নেন।

স্থানীয় বাসিন্দা আসাদুজ্জামান সুরুজ বলেন, গত শুক্রবার মাঝরাতে স্কুলের মাঠে স্তুপকৃত কয়েক হাজার ইট চুরি করে শিক্ষিকা লাবনী বিক্রি করছিলেন। এসময়ে আমরা এলাকাবাসী দুটি ট্রলি গাড়ী আটকিয়ে রাখি। রাতে পুলিশকে জানালে তারা সকালে আসে। পরে উপজেলা সহকারী শিক্ষা অফিসার ফারুক হোসেন এসে এলাকাবাসীর সামনে ট্রলি গাড়ী থেকে ইটগুলো নামিয়ে নেন। এ সময় এলাকাবাসী চিৎকার করে দূর্নীতিবাজ শিক্ষিকার বিচার দাবি করেন। তার বিচারের জন্য বিভিন্ন জায়গায় লিখিত অভিযোগ দায়েরও করেন স্থানীয়রা।

বাহাগিলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা মাহজুবা উম্মে লাবনীর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করেও তাকে পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ডক্টর মাহমুদা খাতুনকে একাধিকবার কল করেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কুমারেশ চন্দ্র গাছি বলেন, এ বিষয়ে আমি একটা লিখিত অভিযোগ পেয়েছি এবং উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে ব্যবস্থা নিতে বলেছি। শুনেছি দুই সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

কিশোরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আশরাফুল ইসলাম বলেন, প্রধান শিক্ষিকা মৌখিক ভাবে আজকে আমাকে জানিয়ে গেছেন।