=== console.log('header!'); // вставь сюда свой код полностью
  • আজ ১৯শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

দ্রব্যমূল্যের বাজারে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করছে বিএনপি: বাহাউদ্দিন নাছিম

রিদুয়ান ইসলাম, জবি প্রতিনিধিঃ ঐতিহাসিক ৭ মার্চ উপলক্ষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম বলেন; রমজান মাসকে সামনে রেখে এবং ইউক্রেন যুদ্ধকে ইস্যু করে বিএনপিপন্থী কিছু ব্যবসায়ী দ্রব্যমূল্যের বাজারে অস্থিতিশীলতা তৈরি করছে। তারা খাদ্যদ্রব্য মজুদ করে রাখার কারণে দ্রব্যমূল্যের দাম বৃদ্ধি পাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১০ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়াম এ এক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

বাহাউদ্দীন নাছিম আরও বলেন, একদল বাংলাদেশের দ্রব্যমুলের দাম উস্কে দিতে চায়। এক শ্রেণীর ব্যবসায়ী খাদ্য দ্রব্য মজুদ করে অস্থিতিশীল করতে চায়। বিএনপি জামায়াতের এক শ্রেণির ব্যবসায়ীদের উস্কে দিতে চায়। বিএনপির স্বার্থ বাস্তবায়নের জন্য এক শ্রেণির ব্যবসায়ী খাদদ্রব্য মজুদ করে মূল্য বৃদ্ধি করে মুনাফা লুটার চেষ্টা করে। দেশপ্রেমি ব্যবসায়ী ভাইদের কাছে আমাদের অনুরোধ থাকবে আপনারা দেশের স্বার্থে, জনগণের স্বার্থে স্বার্থান্বেষী ব্যবসায়ীদের ব্যাপারে সজাগ থাকবেন। সরকার সজাগ থাকবে, বাজার মনিটরিং করবে ছাত্রলীগের কাছে আহ্বান এ বিষয়ে সর্তক থাকার। আপনারাও সচেতন থাকবেন যাতে করে মানুষের দুঃখ কষ্ট বাড়িয়ে কোনো স্বার্থান্বেষী মহল লাভবান না হতে পারে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক বলেন, ৭ই মার্চের ভাষণ নিয়ে চুলচেরা বিশ্লেষণ করতে হবে আপনাদের। ৭৫ এর পর সে জিয়াউর রহমান আমাদের ৭ই মার্চের ভাষণ বাজাতে দেন নি। ভাষনকে কে তারা ভয় পান। তারা ভীত। এ ভাষণের মাত্র ১৮ দিনের ব্যবধানে স্বাধীনতা ঘোষণা করা হয়। সে ইতিহাস বিকৃত করার চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু পারেনি। মুজিববিহীন বাংলায় শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু এখনও ষড়যন্ত্র হচ্ছে। দেশ এগিয়ে যাওয়ার পথেও ষড়যন্ত্র হচ্ছে।

নানক আরও বলেন, বিএনপির ভালো না লাগার বেরামে পেয়েছে। দেশকে পিছিয়ে নিতে চায় তারা। কাজেই আপনাদের সবসময় চোখ কান খোলা রাখতে হবে।

এছাড়াও আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক, আইন সম্পাদক এডভোকেট কাজী নজিবুল্লাহ হিরু, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব নজরুল ইসলাম বাবু এমপি, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয়, সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য এবং সম্মানিত অতিথি হিসেবে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ বক্তব্য রাখেন।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভার সভাপতিত্ব করেন জবি শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. ইব্রাহিম ফরাজী। সঞ্চালনায় ছিলেন শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম আকতার হোসাইন। এছাড়াও ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সংসদের নেতৃবৃন্দ ও জবি শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন