=== console.log('header!'); // вставь сюда свой код полностью
  • আজ ২২শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

উত্তরখানে বাসায় গ্যাস লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে দগ্ধ-১

| নিউজ রুম এডিটর ৬:০৮ অপরাহ্ণ | ২৪/০৯/২০২২ ঢাকা, সারাদেশ

মোঃরফিকুল ইসলাম মিঠু।। রাজধানীর উত্তরখানে বাসার গ্যাসের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণে এক ব্যক্তি দগ্ধ হয়েছেন। দগ্ধকৃত ব্যক্তির নাম মো, বাবুল মিয়া (৪৪)। দগ্ধ বাবুল পেশায় একজন রিকশার মেকার ছিল। তার শরীরের ৪৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক।

এদিকে, ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (ওসি) মো. বাচ্চু মিয়া বিষয়টি স্বীকার করে জানান, শুক্রবার দিবাগত রাত পৌনে ১২টার দিকে দক্ষিণখানের আটিপাড়া বড়বাগ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। পরে দগ্ধ অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে রাত আড়াইটার দিকে শেখ হাসিনা বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে ভর্তি করা হয়।

শেখ হাসিনা বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. এস, এম আইউব হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গভীর রাতে উত্তরখান থেকে দগ্ধ অবস্থায় একজনকে আমাদের এখানে নিয়ে আসা হয়েছে। তার শরীরের ৪৫ শতাংশ দগ্ধ হয়েছে। জরুরি বিভাগের ১৩ নম্বর বেডে তার চিকিৎসা চলছে। তার অবস্থা আশঙ্কাজনক। যেকোনো সময় তাকে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) পাঠানো হতে পারে।

দগ্ধ বাবুল মিয়ার স্ত্রী সমলা বেগম জানান উত্তরখানের আটিপাড়া বড়বাগ মহিলা মার্কেট সংলগ্ন মামুনের টিনসেড বাড়িটিতে তারা স্বামী স্ত্রী ও এক সন্তান নিয়ে ভাড়া থাকেন। রাতে তিনি ঘুমিয়ে পড়েন। এরপর তার স্বামী বাবুল মিয়া রান্নাঘরে গিয়ে গ্যাস লাইটার দিয়ে মশার কয়েল জ্বালানোর চেষ্টা করেন। তখন সেখানে আগুন ধরে যায় এবং সেই আগুনে তিনি দগ্ধ হন। পরে তার চিৎকার শুনে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসে তাকে উদ্ধার করে রাতেই শেখ হাসিনা বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করান। তবে, প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচেছ, গ্যাসের আগুনেই তিনি দগ্ধ হয়েছেন। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন তার অবস্থা ভালো নয়।

এলাকাবাসি ও বাবুলের স্বজনরা জানান, বাবুল মিয়ার বাড়ি গাজীপুর জেলার শ্রীপুর থানার টেংরা গ্রামের হযরত আলীর পুত্র। পেশায় বাবুল একজন রিকশার মেকার । উত্তরখানের আটিপাড়া বড়বাগ মহিলা মার্কেট সংলগ্ন মামুনের বাড়ির ভাড়াটিয়া হিসেবে বসবাস করে আসছিল।

এদিকে, উত্তরখান থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল মজিদ জানান, আজ দুপুরে আমি খবর পেয়ে ঘটনাস্হলে পুলিশ পাঠিয়েছি। বাথরুমের জমে থাকা গ্যাস কিংবা রান্নাঘরের গ্যাস লাইন লিকেজ থেকে এঘটনা ঘটতে পারে বলে জানান পুলিশের এ কর্মকর্তা।