• আজ ৩১শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
 নাহিদের তাণ্ডবে কুপোকাত পাকিস্তান, ঐতিহাসিক জয় বাংলাদেশের | শপিংমল-দোকানপাট খোলা রাখা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত মালিক সমিতির | আর কোনো ফ্যাসিবাদী শক্তি যেন পুলিশকে ব্যবহার করতে না পারে: প্রধানমন্ত্রী | গুম-খুনের রাজনীতি থেকে বের হয়ে নতুন দেশ গড়ার প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রীর | মানুষের সঙ্গে মিশে যাবেন, তাদের সঙ্গে নিয়ে নেতৃত্ব দিবেন — জেলা প্রশাসকদের প্রতি এলজিআরডি মন্ত্রী | স্বাধীন সাংবাদিকতার প্রশ্নে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী | তেল পাচার রোধ ও ঈদকে সামনে রেখে নিরাপত্তা জোরদার | মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা | টেকনাফে গহীন পাহাড়ে মিলল ৩ জনের রক্তাক্ত মরদেহ | নাটকীয় ম্যাচে রিয়ালকে বিদায় করে সেমিতে বায়ার্ন |

চুরির অভিযোগে যুবককে মধ্যযুগীয় নির্যাতন

| নিউজ রুম এডিটর ৪:৫৪ অপরাহ্ণ | ২২/১০/২০২২ ঠাকুরগাঁও, সারাদেশ

মো: রেদওয়ানুল হক মিলন ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ে পুকুরে মাছ চুরির অভিযোগে ফইজুল ইসলাম (২৪) নামের এক যুবককে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে পুকুর মালিক আব্দুর রাজ্জাকের বিরুদ্ধে। শুক্রবার (২১ অক্টোবর) বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার চরকডাঙ্গীতে এই ঘটনা ঘটে। নির্যাতনের শিকার ফয়জুল ইসলাম ওই উপজেলার দুওসুও ইউনিয়নের আমতলা গ্রামের মফিজ উদ্দীনের ছেলে। আর অভিযুক্ত আব্দুর রাজ্জাক মহিষমারী গ্রামের আলিম উদ্দীনের ছেলে।

আব্দুর রাজ্জাক জানায়, আমার পুকুরে দীর্ঘদিন যাবত মাছ চুরি হচ্ছিলো। কয়েকদিন ধরে রাতে পাহারা দিচ্ছি। গতকাল শুক্রবার ফইজুলসহ তিনজন জাল দিয়ে মাছ ধরছিলো। আমি ফইজুলকে ধরে ফেললেও বাকি দু’জন পালিয়ে যায়। পরে থানায় নিয়ে যাই।

ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম জানান, ফইজুলের শরীরের বিভিন্ন জায়গায় কাটা-ছেঁড়া দেখে আমি তাৎক্ষণিকভাবে হাসপাতালে ভর্তি করাই। তা না হলে ছেলেটি রক্তক্ষরণের ফলে মৃত্যুর আশঙ্কা ছিলো।

ভুক্তভোগী ফয়জুলের বাবা মফিজ উদ্দীন বলেন, আমার ছেলে যদি পুকুরের মাছ চুরি থাকে তাহলে তাকে ধরে পুলিশে দেবে, কিংবা আমাকে জানাবে। আমি এর বিচার করতাম। তা না করে বাড়ি থেকে ছেলেটাকে তুলে নিয়ে ধারালো ছুড়ি দিয়ে হাতে, পায়ে, সারা শরীরে কুপিয়েছে। ছেলেটা আমার প্রাণে বেঁচে গেলেও পরবর্তীতে স্বাভাবিকভাবে চলাফেরা করতে পারবে না। আমি মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছি। আমি এর বিচার চাই।

বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত ডাক্তার মাহবুব আলম সাংবাদিকদের বলেন, ধারালো অস্ত্রের আঘাতে একটি কান বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। শরীরের বিভিন্ন অংশে বেশ কিছু সেলাই দেওয়া হয়েছে। তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক। আমরা পর্যবেক্ষণে রেখেছি। প্রয়োজনে ঠাকুরগাঁও জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করা হবে।

বালিয়াডাঙ্গী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খায়রুল ইসলাম ডন বলেন, ‘ফইজুল ইসলামকে রক্তাক্ত অবস্থায় থানায় নিয়ে আসে। পরে এখান থেকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। কিন্তু থানায় এখন পর্যন্ত এই বিষয়ে কেউ অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।