• আজ ৩০শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
 নাহিদের তাণ্ডবে কুপোকাত পাকিস্তান, ঐতিহাসিক জয় বাংলাদেশের | শপিংমল-দোকানপাট খোলা রাখা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত মালিক সমিতির | আর কোনো ফ্যাসিবাদী শক্তি যেন পুলিশকে ব্যবহার করতে না পারে: প্রধানমন্ত্রী | গুম-খুনের রাজনীতি থেকে বের হয়ে নতুন দেশ গড়ার প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রীর | মানুষের সঙ্গে মিশে যাবেন, তাদের সঙ্গে নিয়ে নেতৃত্ব দিবেন — জেলা প্রশাসকদের প্রতি এলজিআরডি মন্ত্রী | স্বাধীন সাংবাদিকতার প্রশ্নে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী | তেল পাচার রোধ ও ঈদকে সামনে রেখে নিরাপত্তা জোরদার | মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা | টেকনাফে গহীন পাহাড়ে মিলল ৩ জনের রক্তাক্ত মরদেহ | নাটকীয় ম্যাচে রিয়ালকে বিদায় করে সেমিতে বায়ার্ন |

কুড়িগ্রামে কোটা পদ্ধতি সংস্কারের দাবিতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন

হুমায়ুন কবির সূর্য, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামে কোটা পদ্ধতি সংস্কারের দাবিতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ব্যানারে মানববন্ধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় কুড়িগ্রাম কলেজমোড়ে ঘন্টাব্যাপী মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে রাজ্য জ্যোতির সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী সাদিকুর রহমান ও সুজয় চন্দ্র রায়, মজিদা আদর্শ ডিগ্রি কলেজের শিক্ষার্থী অনিরুদ্ধ প্রণয় প্রান্তিক ও তাজবীর আহম্মেদ মুগ্ধ, কুড়িগ্রাম কালেক্টরেট স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার্থী নিলয় কুমার দাস কুড়িগ্রাম সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নাজমুজ সাকিব শাহী, বিসিএস প্রত্যাশী শিক্ষার্থী আপেল মাহমুদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী রিদওয়ান পর্ব প্রমুখ। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন রতন অধিকারী।
শিক্ষার্থী অনিরুদ্ধ প্রণয় প্রান্তিক বলেন, কোটা পদ্ধতি কার্যকর হওয়া উচিৎ বৈষম্য বিলোপের মাধ্যমে। কিন্তু কোটা পদ্ধতি কার্যকর করা হচ্ছে বৈষম্য বৃদ্ধির লক্ষ্যে। অবিলম্বে এই কোটা পদ্ধতি সংস্কার করতে হবে।’
শিক্ষার্থী রিদওয়ান পর্ব বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের কোটা যদি করতেই হয় তবে এই দেশের ৯০ভাগ মানুষ সেই কোটার দাবিদার। মুক্তিযুদ্ধে শহিদ ৩০ লক্ষ পরিবার, ধর্ষণের শিকার ২লক্ষ নারীর পরিবার, ২ কোটি নির্বাসিত মানুষের পরিবারসহ মুক্তিযদ্ধে নিপীড়ন নির্যাতনের শিকার প্রতিটি মানুষের পরিবার এই কোটার দাবিদার।’
সভাপতি রাজ্য জ্যোতি বলেন, ‌’বাবার যোগ্যতায় ছেলেকে বা নাতিকে চাকরী দেয়ার অর্থ যোগ্যতাকে পিছিয়ে দেয়া। অযোগ্য লোকেরা যোগ্যতার দামি চেয়ারে আসিন হলে বাংলাদেশ পিছিয়ে পরবে। যোগ্যতাকে অবমূল্যায়ণ করা হবে। সুতরাং এই কোট পদ্ধতি সংস্কার করতে হবে।