• আজ ৮ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
 নাহিদের তাণ্ডবে কুপোকাত পাকিস্তান, ঐতিহাসিক জয় বাংলাদেশের | শপিংমল-দোকানপাট খোলা রাখা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত মালিক সমিতির | আর কোনো ফ্যাসিবাদী শক্তি যেন পুলিশকে ব্যবহার করতে না পারে: প্রধানমন্ত্রী | গুম-খুনের রাজনীতি থেকে বের হয়ে নতুন দেশ গড়ার প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রীর | মানুষের সঙ্গে মিশে যাবেন, তাদের সঙ্গে নিয়ে নেতৃত্ব দিবেন — জেলা প্রশাসকদের প্রতি এলজিআরডি মন্ত্রী | স্বাধীন সাংবাদিকতার প্রশ্নে যা বললেন প্রধানমন্ত্রী | তেল পাচার রোধ ও ঈদকে সামনে রেখে নিরাপত্তা জোরদার | মুফতি আমির হামজার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা | টেকনাফে গহীন পাহাড়ে মিলল ৩ জনের রক্তাক্ত মরদেহ | নাটকীয় ম্যাচে রিয়ালকে বিদায় করে সেমিতে বায়ার্ন |

হাতীবান্ধায় কাজ পেলো দেড় হাজার অতিদরিদ্র মানুষ

| নিউজ রুম এডিটর ৪:৩৪ অপরাহ্ণ | ৩০/০১/২০২২ লালমনিরহাট

আজিজুল ইসলাম বারী, লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ দৈনিক চারশত টাকা মজুরীতে ৪০ দিনের কাজ পেলেন লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার প্রায় দেড় হাজার অতিদরিদ্র কর্মক্ষম মানুষ।

শনিবার(২৯ জানুয়ারী) দুপুরে উপজেলার ১২টি ইউনিয়নে এ কাজের উদ্বোধন করা হয়।

জানা গেছে, হাতে কাজ না থাকায় বেকার হয়ে পড়া অতিদরিদ্র পরিবারের মাঝে খাদ্যভাব দেখা দেয়। তাই সরকার অতিদরিদ্র কর্মক্ষম বেকার মানুষদের কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে ইজিপিপি প্রকল্প চালু করে সরকার। এ প্রকল্পের মাধ্যমে অতিদরিদ্র পরিবারের কর্মক্ষম ব্যাক্তিদের তালিকা তৈরী করে। একই সাথে সংশ্লিষ্ট এলাকার গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়নে মাটি ভরাটের প্রকল্প গ্রহন করে সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কার্যালয়। শ্রমিকরা দৈনিক চারশত টাকা মজুরীতে নির্ধারীত প্রকল্পে মাটি ভরাটের কাজ করবেন। শ্রমিক নির্বাচনে শতকর ৩৩জন নারী শ্রমিক নেয়া হয়। এ প্রকল্পে কাজ চলবে কর্মহীন ৪০ দিন।

এ প্রকল্পের মাধ্যমে একদিকে যেমন অতিদরিদ্র বেকার শ্রমিকরা কর্মক্ষেত্রের নিশ্চয়তা পেয়ে নিজেদের স্বালম্বী করার সুযোগ পাচ্ছেন। অন্যদিকে এসব শ্রমিকের পরিশ্রমে গ্রামীন অবকাঠামোর উন্নয়ন সাধিত হচ্ছে। শনিবার হাতীবান্ধা উপজেলার ১২টি ইউনিয়নে এ কাজের উদ্বোধন করা হয়। এতে উপজেলার এক হাজার ৫১৬জন শ্রমিক কাজের সুযোগ পেয়েছেন।

ডাউয়াবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট মশিউর রহমান বলেন, নিয়মানুযায়ী ৩৩ শাতাংশ নারী শ্রমিক নিয়োগ করা হয়েছে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে একদিকে যেমন গ্রামীন অবকাঠামোর উন্নতি হচ্ছে। অন্যদিকে কর্মহীন এ সময়ে কাজের নিশ্চয়তা পেয়ে অতিদরিদ্র পরিবারে স্বচ্ছলতাও ফিরে আসবে।