• আজ ৬ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

শ্রীনগরে শ্রেণী পরিবর্তন না করে পুকুর খনন, কমছে ফসলী জমির সংখ্যা!

| নিউজ রুম এডিটর ৯:৪১ অপরাহ্ণ | এপ্রিল ১০, ২০২২ মুন্সীগঞ্জ, সারাদেশ

মোহাম্মদ রোমান হাওলাদারঃ মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলার আটপাড়া ইউনিয়নের পশ্চিম আটপাড়া গ্রামে একটি ফসলী জমির শ্রেণী পরিবর্তন না করে পুকুর খনন করা হচ্ছে। ফসলী জমি রক্ষায় সরকার কর্তৃক নির্ধারিত আইন থাকলেও আইনের ব্যত্যয় ঘটিয়ে জমির শ্রেনী পরিবর্তনের কোন প্রকার না করেই পুকুর খনন করছেন জমির মালিক পশ্চিম আটপাড়া গ্রামের মৃত চুন্নু খানের ছেলে মাসুদ খান।

রবিবার বিকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার আটপাড়া ইউনিয়নের পশ্চিম আটপাড়া গ্রামের কল্লিগাও-বাড়ৈগাও শাখা সড়কের পশ্চিম পার্শ্বে অবস্থিত একটি ছোট পরিসরের ফুটবল আকারের সমপরিমাণ ফসলী জমির মামি কেটে পুকুর খনন শেষে পুকুরের পাড় নির্মাণে কাজ চলছে। জমির মালিক মোঃ মাসুদ খান নিয়মনীতির কোন প্রকার তোয়াক্কা না করে দাড়িয়ে থেকে খনন যন্ত্র দিয়ে পুকুরে পাড় নির্মাণের কাজ করাচ্ছেন। এসময় জমিটির শ্রেণী পরিবর্তন ও নিয়ম অনুসারে পুকুরের খনন কাজ করা হচ্ছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আমার এক লোকের মাধ্যমে ডিসি অফিস থেকে অনুমতি এনে তার পর কাজ করছি! কৌশলে অনুমতির প্রয়োজনীয় কাগজপ্রত্র উপস্থাপনের জন্য বলা হলে তিনি মৌখিক ভাবে অনুমতি এনেছেন বলে তাড়াহুড়ো করে স্থান ত্যাগ করেন।

এদিকে শ্রীনগর উপজেলার প্রায় শিংহভাগ ইউনিয়নে ধানী ও তিন ফসলী জমির মাটি কেটে বাড়ী ভরাট ও পুকুর খননের এমন দৃশ্য প্রায় সময়ঢই চোখে পরে। ফসলী জমি রক্ষায় সামাজিক ভাবে জোড়ালো কোন পদক্ষেপ না থাকায় এবং দিনের পরিবর্তে রাতের আধারে গোপনে জমির মাটি কেটে বাড়ী ও পুকুর খননের কারণে প্রচলিত আইনের ধারায় সেসব জমির মালিকদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে ব্যর্থ হচ্ছেন ভুমি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। ফলে দিন দিন ফসলী জমির সংখ্যা কমার সাথে সাথে স্থানীয় কৃষকরা কাঙ্খিত ফসল উৎপাদনে ব্যর্থ হচ্ছেন। এ ব্যপারে শ্রীনগর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কর্মকর্তা ব্যারিস্টার সজিব আহমেদের মুঠোফোনে বেশ কয়েকজন যোগাযোগ করা চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।