• আজ ১৫ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম
 নেপালের নতুন প্রধানমন্ত্রী কে এই বালেন্দ্র শাহ? | ঈদের পরই নতুন সরকারের সামনে যে বড় তিন চ্যালেঞ্জ | ট্রেনে ফিরতি যাত্রা: আজ মিলছে ২৮ মার্চের টিকিট | নিজ নির্বাচনী এলাকায় চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর; চালু হলো হটলাইন | ‘ঘরে ঘরে প্রলোভনকারীদের বিষয়ে সজাগ থাকুন’—পল্লবীতে আমিনুল হক | সেহরি ইফতার তারাবির সময় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ রাখার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর | প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন যারা | তারেক রহমান সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত | প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের অভিষেক আজ | রমজানে সব স্কুল বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের নির্দেশ |

সেন্ট মেরীস ক্যাথিড্রাল গীর্জায় ককটেল বিস্ফোরণ

| নিউজ রুম এডিটর ১:৩৮ অপরাহ্ণ | নভেম্বর ৯, ২০২৫ ধর্ম

 

প্রতিবেদক, কিশোর ডি কস্তা: গত ৭ নভেম্বর রাত আনুমানিক ১১ টার সময় কাকরাইলে রমনা বিশপ হাউসে অবস্থিত সেন্ট মেরিস ক্যাথিড্রাল গীর্জার প্রধান গেইটে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। একটি ককটেল বিস্ফোরণ হয়েছে আরও ২/৩ টি ককটেল অবিস্ফোরিত ভাবে পরে ছিল। পরবর্তীতে আইনশৃঙ্খল রক্ষাকারী বাহিনীর বোম ডিসপোজাল টীম এসে ককটেল গুলোকে নিষ্ক্রিয় করে দেয়। তবে এতে কোন হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

কে বা কারা এই ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনার সাথে জড়িত তাদের এখনো শনাক্ত করা যায়নি। ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনার তদন্তে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন ইউনিটের সদস্যরা দ্রুত সময়ের মধ্যে ঘটনাস্থলে আসেন ও ডগ স্কোয়াড দিয়ে আশেপাশের স্থান ও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পরবর্তী তে ৮ নভেম্বর দুপুরে বিশপ হাউস ভবনে বিশপ হাউসের পক্ষ থেকে সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে খ্রীস্টান সমাজের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ ও ফাদার উপস্থিত ছিলেন। ফাদার বুলবুল আগস্টিন রিবেরু প্রেস ব্রিফিং এ বলেন
কিছু দিন আগে তেজগাঁও গীর্জার মেইন গেইটে ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।

তিনি বলেন আগামী ডিসেম্বরে খৃষ্টান ধর্মালম্বীদের সব চেয়ে বড় উৎসব বড়দিন । কিন্তু এভাবে বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা সাধারণ মানুষের মধ্যে একটা ভীতিকর ও আতংক সৃষ্টি করছে। জনজীবন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। শান্তি শৃঙ্খলা ফেরাতে আমাদের সীমিত সংখ্যক খ্রীষ্টান ধর্মালম্বীসহ অন্যান্য সকল ধর্মের সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার এর প্রধান উপদেষ্টা ও স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার কাছে বিশেষ ভাবে অনুরোধ করেন।

সকল ধর্মীয় উপাসনালয় একটা পবিত্র স্থান।কিন্তু এভাবে বার বার ধর্মীয় উপাসনালয়ের সামনে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা জনজীবনে জন্য একটা অশনি সংকেত।খৃষ্টান ধর্মালম্বীর নেতৃবৃন্দরা এই সকল ঘটনার সাথে জড়িত সকল অপরাধীকে অতি দ্রুত আইনের আওতায় নিয়ে উপযুক্ত শাস্তি দাবি করেন।
আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণের প্রস্তুতি চলমান আছে।