

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) টিম ম্যানেজমেন্ট যেন হাঁফ ছেড়ে বাঁচল। তামিম ইকবাল ওয়ানডে অধিনায়কত্ব ছেড়ে দেওয়ায় বিশ্বকাপ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত নিতে সহজ হয়ে গেল টিম ম্যানেজমেন্টের। তামিমের ইনজুরি একই সঙ্গে দুটি দিকে সিদ্ধান্ত নিতে ঝামেলায় ফেলে দেয় বিসিবিকে। এশিয়া কাপের পর তামিম পুরোপুরি সুস্থ হয়ে দলে ফিরতে পারেন নিউজিল্যান্ড সিরিজ দিয়ে। নতুন অধিনায়কের দৌড়ে নিশ্চিতভাবে এগিয়ে রয়েছেন সাকিব আল হাসান। বিকল্প হিসাবে থাকছেন লিটন দাস।
কোচ, টিম ম্যানেজমেন্ট ও বিসিবির পরিচালকদের বড় অংশ অধিনায়ক হিসাবে সাকিবকে চায়। কিন্তু শুধু বিশ্বকাপের জন্য তিনি নেতৃত্ব নিতে আগ্রহী ছিলেন না। এখন যেহেতু দীর্ঘমেয়াদি বিষয় এবং তামিম সরে দাঁড়ানোয় দলীয় স্বার্থ চলে এসেছে, এ অবস্থায় তার রাজি না হওয়ার কোনো কারণ নেই। সাকিব লংকান প্রিমিয়ার লিগ (এলপিএল) খেলতে শ্রীলংকায় আছেন। তার সঙ্গে আলাপ করবেন বিসিবি সভাপতি। এরপর দেশে ফেরার পর বিস্তারিত আলোচনা হবে।
তামিম যদি অধিনায়কত্ব না ছাড়তেন এবং একই সঙ্গে এশিয়া কাপেও খেলতে পারতেন না তখন সহ-অধিনায়ক লিটন দাসকে দায়িত্ব দেওয়া হতো। যদিও লিটন নেতৃত্ব কখনোই আগ্রহভরে নিতে চাননি। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদি বিষয় সামনে চলে আসায় সাকিবকেই পছন্দ বিসিবির।
নেতৃত্ব ছাড়ার পর তামিম বলেন, ‘ভ্রমণটা দারুণ ছিল, কেমন করেছি সেটা ফলই কথা বলবে। আমি ভালো করেছি। তবে এখনো যদি অধিনায়ক থাকতাম, তাহলে স্বার্থপরের মতো হতো। যারা আমাকে চেনে তারা জানে, আমি সব সময় দলকে এগিয়ে রাখি। এটিই আমার হয়ে কথা বলবে। একাদশে খেললে যে অধিনায়ক থাকবে তাকে সহায়তা করব।’
বিসিবি সভাপতি নাজমুল হাসান আভাস দিলেন, বিশ্বকাপের কথা ভেবেই হবে অধিনায়ক। তিনি বলেন, ‘সবার সঙ্গে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তামিম শুধু এশিয়া কাপে না খেললে সহ-অধিনায়ক লিটনই অধিনায়ক হতো। এখন যেহেতু তামিম অধিনায়কত্বই ছেড়ে দিয়েছে, ব্যাপারটা আর সরল নেই। নতুন অধিনায়ক শুধু এশিয়া কাপ নয়, বিশ্বকাপেও নেতৃত্ব দেবে বাংলাদেশকে।’