• আজ ১লা শ্রাবণ, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

সিরাজদিখানে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র  মারপিটের ঘটনায় আহত-১, গ্রেফতার-১

| নিউজ রুম এডিটর ১০:২২ পূর্বাহ্ণ | মে ২, ২০২৪ মুন্সীগঞ্জ, সারাদেশ

 

সিরাজদিখান প্রতিনিধিঃ মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে সেলিম ও সাইফুল গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

গত মঙ্গলবার দুপুর ১২ টার দিকে উপজেলার কেয়াইন ইউনিয়নের নিমতলা শওকত মার্কেটের সামনে এ ঘটনা ঘটে। দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় সেলিম গ্রুপের ইউনুছ (৩৫) নামে এক যুবক গুরুত্বর আহত হয়েছে। সে চালতিপাড়া গ্রামের চাহেব আলীর ছেলে। এ ঘটনায় বুধবার দিবাগত রাতে সেলিম গ্রুপের ইউনুছের ভাই ফজর বাদী হয়ে ২৬ জনকে এজাহার নামীয় ও ৫-৬ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামী করে মামলা দায়ের করেন। যার নং-০১। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বেশ কয়েক বছর ধরে উপজেলার কেয়াইন ইউনিয়নের চালতিপাড়া গ্রামের মৃত মন্তাজউদ্দিনের ছেলে সেলিম ও একই গ্রামের তাজিম উদ্দিনের ছেলে সাইফুল ইসলামের সাথে স্থানীয় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দ্বন্দ্ব চলে আসছে। সেলিম ও সাইফুল মুন্সীগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব মহিউদ্দিন আহমেদের সমর্থন করলেও দুই পক্ষের দুইজনের মতাদর্শ ভিন্ন হওয়ায় প্রায় সময় তাদের দুই পক্ষের লোকজনের সাথে এলাকায় প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে দ্বন্দ্ব চলমান রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার দুপুর অনুমান ১২ টার দিকে কেয়াইন ইউনিয়নের নিমতলা এলাকায় অবস্থিত শওকত মার্কেটের সামনে সেলিম গ্রুপের ইউনুছ নামে যুবককে মারধর করে গুরুত্বর রক্তাক্ত জখম করে সাইফুল গ্রুপের লোকজন। গুরুত্বর আহত ওই যুবককে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়। পরে সেলিম গ্রুপের ইউনুছ নামে ওই যুবককে মারধরের জেরে সেলিমসহ তার গ্রুপের লোকজন সাইফুল গ্রুপের লিটনের বাড়ীঘরে হামলা চালায়। বাড়ীতে থাকা দুটি মোটর সাইকেল ভাংচুরসহ বাড়ীর আসবাবপত্র ভাংচুর করে তারা। খবর পেয়ে সিরাজদিখান থানা পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একটি টিম ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এসময় সাইফুল গ্রুপের মোঃ শামিম মিয়া (৪৭) নামে একজনকে আটক করে সিরাজদিখান থানা পুলিশ। সে চালতিপাড়া গ্রামের মৃত শেখ লাল চাঁন মিয়ার ছেলে। এ বিষয়ে অভিযুক্ত সাইফুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, আমাদের লোকজন আওলাদ মৃধার প্রোগ্রামে যাচ্ছিলো। তখন সেলিমের লোকজন আমার এক লোককে মারধর করে। পরে এর জেরে ইউনুসকে আমার লোকজন হালকাপাতলা মারধর করেছে। সেলিমের লোকজনরা লিটনের বাড়ীঘর ভাংচুরসহ দুটি মোটর সাইকেল ভাংচুর করে উল্টো আমাদের নামে থানায় মামলা দিয়েছে।

এ ব্যপারে ভুক্তভোগী সেলিমের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায় নি। সেলিম ও সাইফুল গ্রুপের মধ্যে মারপিটের ঘটনায় মামলা দায়েরসহ সংঘর্ষের ঘটনায় একজন গ্রেফতারের বিষয়টি সিরাজদিখান থানা পুলিশের সংশ্লিষ্ট সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে।